প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ (ছালেহ শিবলী)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি। এম সালেহ বলেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ।
আগামী ২৩ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে তারেক রহমান নয়াদিল্লি সফর করবেন—ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন খবরের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘সফরের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।’
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালের কাছে এই সফরের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, নতুন করে জানানোর মতো কিছু নেই।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি সেখানেই রয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। পরে ঢাকা আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াদিল্লির কাছে তাঁর প্রত্যর্পণের দাবি জানায়। ভারত জানিয়েছে, যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুরোধটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
চলতি মাসের শুরুতে নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি কথা বলার পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন বাড়ে। ঢাকা এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ভারতের মাটি ব্যবহার করা উচিত নয়। নয়াদিল্লি ওই আয়োজনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।