Image description

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গাছ কাটা ও চুরির অভিযোগে মাধবপুর বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম আবুলসহ ২০ জনের নামে মামলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে আছে চুনারুঘাট উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মারুফ মিয়ার নাম।

গত মঙ্গলবার চুনারুঘাট থানায় মামলাটি করেন সাতছড়ি বন্যপ্রাণী রেঞ্জের কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন। এসব তথ্য আজ বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান। 

শফিকুল ইসলাম মাধবপুরের শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা। একই সঙ্গে তিনি সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। 

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৫ মে পর্যন্ত বিভিন্ন সময় সাতছড়ি উদ্যানের সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে গাছ কাটা হয়। সেসব চুরি করে নিয়ে বিক্রি করেন আসামিরা।

 

 

 

এ ঘটনায় হওয়া মামলায় প্রধান আসামি ছাত্রদল নেতা মারুফ। অন্য আসামির মধ্যে বিএনপি নেতা শফিকুলসহ দল ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় কয়েক নেতাকর্মী এবং গাছ ব্যবসায়ীদের নাম আছে।

একই দিন রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য থেকে গাছ কাটার অভিযোগে হয়েছে আরেকটি মামলা। সেটিরও প্রধান আসামি ছাত্রদল নেতা মারুফ। আসামি আছেন আরও ৪২ জন।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দুজনই। শফিকুল ইসলামের ভাষ্য, ‘কিছুদিন আগে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মামলা করা হয়েছে।’

তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এমন কয়েকজনকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। ‘এসব ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করলেন মাসুম বিল্লাহও।

তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মেহেদী ‘আগামীর সময়’কে বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসব মামলা করা হয়েছে। রেমা-কালেঙ্গার মামলাটি করেছেন বন কর্মকর্তা এইচ এম এরশাদ।’