শেখ হাসিনা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসুদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের ২৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক ফ্যাসিবাদের দোসর ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন যোগাযোগে লিপ্ত রয়েছেন। এসব অভিযোগের তালিকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের নামও এসেছে।
এ অবস্থায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশক্রমে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম-২-কে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সাদিক, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিউর রহমান। সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন এলিমেন্টারি অ্যান্ড স্পেশাল এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিয়াম উদ্দিন আহমেদ।
অফিস আদেশে গঠিত কমিটিকে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসুদ বললেন, হাসিনাকে দেশে ফেরাতে গোপন তৎপরতায় লিপ্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এ তদন্ত কমিটি করেছে কর্তৃপক্ষ। একজন সিন্ডিকেট সদস্যের নেতৃত্বে গঠিত হলো অনুসন্ধান কমিটি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"