থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংকে সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন সরকারের মুখপাত্র রাচাদা থানাদিরেক।
এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হলেও সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় প্রতিবেশীরা মিয়ানমারের সঙ্গে ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে। এর আগে রবিবার মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিন মং সোয়ে ১১ দেশের জোট আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রায় পাঁচ বছর পর জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রথমবার সামনাসামনি বৈঠকে বসেন জান্তা মনোনীত পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বৈঠককে সামান্য কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি বলে দাবি করেছেন আয়োজকরা। আসিয়ানে বিশেষ দূত মারিয়া থেরেসা লাজারো বলেছেন, ‘২০২১ সালের ঘটনার পর এই প্রথম আমরা মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সামনাসামনি বসেছি।’ তিনি জানান, বৈঠকে শান্তি প্রক্রিয়া, অং সান সু চিকে কারাগার থেকে নির্দিষ্ট সরকারি বাসভবনে স্থানান্তর এবং আন্তঃসীমান্ত সাইবার স্ক্যাম, মানব পাচার ও মাদক পাচার রোধে সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তৃত ব্রিফিং দিয়েছে নেপিদো।
থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক স্পষ্ট করেছেন, বৈঠকটি আসিয়ানের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন নয়, বরং কৌশলের বিবর্তন মাত্র। ‘নিয়ন্ত্রিত ও ধাপে ধাপে যোগাযোগ রক্ষা করার নীতি মেনে চলে থাইল্যান্ড। আমরা সবাই পাঁচ দফা ঐকমত্যের প্রতিশ্রুতিতে জোর দিয়েছি। তবে মূল বিষয় হলো ৫ দফা বাস্তবায়নের কৌশল কী হবে,’ বলছিলেন সিহাসাক।