ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পার্বত্যাঞ্চল। লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে পাহাড় ও ভূমিধসের শঙ্কা। বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন ফ্লাইট নামতে পারেনি। চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। সিটি করপোরেশন তাদের আওতাধীন ৪৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মঙ্গলবার ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও সড়ক-অলিগলি ডুবে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা যেতে পারেনি স্কুলে।
রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ধসে নারীর মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে তীব্র পানি প্রবাহের কারণে ৭ ঘণ্টা আটকা থাকে ট্রেন। কক্সবাজারে দুদিনে পাহাড়ধস ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে মাতামহুরী নদীর পানি। রাঙামাটিতে পাহাড়ধস হয়েছে। গাছ উপড়ে মারা গেছেন একজন। খাগড়াছড়িতে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। বান্দরবানের থানচিতে আটকে পড়া শতাধিক পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। পানিতে ডুবে মারা গেছে এক শিশু। সড়কে পানি জমেছে বরিশাল নগরীতে। নদীভাঙন তীব্র হয়েছে ভোলায়। উত্তাল সাগর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে হয়েছে বরগুনার পাথরঘাটাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার সহস্রাধিক জেলেকে।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের ৬ বিভাগে ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মঙ্গলবার বেলা ৩টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
এছাড়া ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার ভূমিধস হতে পারে বলেও শঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
মঙ্গলবার ঢাকায়ও ভারি বর্ষণ হয়েছে। এতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। অতিবৃষ্টির কারণে যানচলাচলে বিঘ্ন হয় এবং প্রায় সব রাস্তায় জ্যাম সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তাসহ দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি নদনদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে তিস্তা নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং ১২ জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। মঙ্গলবার বিকালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহানের সই করা বৃষ্টিপাত ও নদনদীর পরিস্থিতিবিষয়ক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের প্রধান নদনদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, পর্যবেক্ষণাধীন কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। ১২৭টি পানি সমতল পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টিতে পানি বেড়েছে, ৮৬টিতে কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটিতে।
স্টাফ রিপোর্টার, ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
চট্টগ্রাম, মীরসরাই, রাঙ্গুনিয়া, কর্ণফুলী, চন্দনাইশ, বাঁশখালী ও চুয়েট : শাহ আমানত বিমানবন্দরে নামতে পারেনি তিনটি ফ্লাইট। ফ্লাইটগুলো পরবর্তীকালে ঢাকায় চলে আসে। মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিএস৩৫০ (আবুধাবি-চট্টগ্রাম) ও এয়ার আরাবিয়ার ফ্লাইট জি৯-৫২৬ (শারজাহ-চট্টগ্রাম) ফ্লাইট দুটি ডাইভার্ট হয়ে ঢাকায় অবতরণ করে। এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি১২১ (ঢাকা-চট্টগ্রাম)-এর ফ্লাইটটিও পুনরায় ঢাকা ফিরে যায়।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে রেণু আক্তার নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দুজন। চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের বনগ্রাম সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ছোট শিক্ষার্থীদের ভ্যানগাড়িতে করে পারাপার করাতে দেখা গেছে স্থানীয় ভ্যানচালকদের। রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পাহাড়ধস হয়েছে। বড় ধরনের ধসের শঙ্কা দেখা দেওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃষ্টি এবং কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের প্রভাবে কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিকলবাহা, চরপাথরঘাটা, জুলধা তিন উপকূলীয় এলাকার। চন্দনাইশে সাঙ্গু নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দুপারে পানি উঠে যাওয়ার ভয়ে ইতোমধ্যে আতঙ্কিত অনেক পরিবার অন্যত্র আশ্রয় গ্রহণ করছে। আর যারা পরিবার নিয়ে নদীর তীরে ঘরবাড়িতে থাকছে, তারাও ভয়ে আছেন। বাঁশখালীতে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি। বর্তমানে সমুদ্রের জোয়ারের লোনা পানি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার পুঁইছড়ি, শেখেরখীল, ছনুয়া, গন্ডামারা, চাম্বল, শীলকুপ, সরল, খানখানাবাদ, বাহারছড়া, পুকুরিয়া, সাধনপুর এলাকাগুলোর সড়ক ও বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। মীরসরাইয়ে নিম্নাঞ্চলে ডুবে গেছে রোপা আউশ।
নগরীর ষোলশহর স্টেশনের জান আলী হাট সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ৭ ঘণ্টা আটকা পড়ে কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস। মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে ট্রেনটি আটকা পড়ে। নিরাপত্তাজনিত কারণে পরে ট্রেনটি ষোলশহর স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়। একই কারণে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা সৈকত একপ্রেক্স ট্রেনটিও ষোলশহর জান আলী এলাকায় আটকা পড়েছে। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ট্রেন লাইনে তীব্র পানির প্রবাহ থাকায় ট্রেন দুটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে ট্রেন দুটির অন্তত দেড় হাজার যাত্রী বিপাকে পড়েছেন।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমেও।
কক্সবাজার ও চকরিয়া : গত দুদিনে পাহাড়ধস ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে জেলার ৯টি উপজেলার অন্তত ৩৩টি ইউনিয়নের অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। শত শত ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা থেকে ইতোমধ্যে অন্তত এক হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে প্রশাসন। সবশেষ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজীঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে লিমা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হন। এ সময় তার স্বামী জসিম উদ্দিন গুরুতর আহত হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে রোববার রাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাহাড়ধসে আটজন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। একই রাতে কক্সবাজার শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্তারঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আরও একজন নিহত হন। এছাড়া পেকুয়া উপজেলায় ভারি বৃষ্টিতে একটি মাটির ঘর ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার লিমা আক্তারের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গত দুই দিনে কক্সবাজারে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। চকরিয়া, নবগঠিত মাতামুহুরী ও পেকুয়া উপজেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা তীব্র হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
রাঙামাটি : মঙ্গলবার সকালে জমিতে কাজ করার সময় পাহাড় থেকে গাছ উপড়ে পড়ে লক্ষ্মী বিলাস চাকমা (৭০) নামে একজন মারা গেছেন। সড়কে পাহাড়ধসের মাটি ও গাছ উপড়ে পড়ে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচলে ব্যাহত হয়। রাঙামাটি সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মঙ্গলবারের নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি, কলাবাগানসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসে সড়কে ওপর মাটি ও গাছের ডালপালা উপড়ে পড়ার খবর পাওয়া যায়।
খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের একাধিক স্থানে পানি ওঠয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে এ সড়কে সরাসরি সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে মহালছড়ি উপজেলার চব্বিশ মাইল, মাইসছড়ি ও কেরেঙ্গেনালা এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জেলার চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ বিভিন্ন খাল-ছড়ার পানি দ্রুত বাড়ছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করছে। দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকা প্লাবিত হওয়ায় লংগদুর সঙ্গে খাগড়াছড়িসহ সারা দেশের যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
বান্দরবান : রুমা-থানচিসহ অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোয় পাহাড়ধস পড়েছে। বাইশারীতে বন্যায় রাঙ্গাঝিরিছড়ায় পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে আলিয়া সুলতানা (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাহাড়ধসে কালাঘাটা, ইসলামপুরসহ বিভিন্ন স্থানে বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে থানচি উপজেলার তীন্দু রেমাক্রীতে আটকে পড়া শতাধিক পর্যটকদের প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উদ্ধার করা হয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার সাতটি উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা শহরের উজানীপাড়া, মধ্যমপাড়া এলাকায় নদী তীরবর্তী বহু ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটন স্পট বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
বরিশাল : নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানচলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। সরেজমিন দেখা যায়, নগরীর কালীবাড়ি রোড, ফকিরবাড়ি রোড, কলেজ রোড ও সদর রোডসহ বিভিন্ন স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে গেছে।
বরগুনা : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল হওয়ায় পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। যার কারণে গভীর সাগর থেকে জেলেরা মাছ শিকার না করে নিরাপদে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। জীবন বাঁচাতে খালি হাতেই তারা গভীর সাগর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার সহস্রাধিক জেলে।
ভোলা ও মনপুরা : জেলা সদরের শিবপুর এলাকায় নদীভাঙন আরও তীব্র হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমেছে। অপরদিকে ভোলা-লক্ষ্মীপুরসহ জেলার ৬টি রুটে নৌলঞ্চ ও সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়েছে। মনপুরা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বেশির ভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।