Image description

আগামী ১৬ জুলাই সরকারিভাবে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা আলোচনার বিপরীতে এদিন সরকারি ছুটি থাকছে না।

আজ রবিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন জানান, ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ এবং ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

গত বছরের ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজের সই করা এক পরিপত্রে ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্র অনুযায়ী, দিবসটি ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি বিধান অনুযায়ী, ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবসে সরকারি ছুটি থাকে না। ফলে ১৬ জুলাই সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর জারি করা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনসংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ যুক্ত করা হয়েছে। এ শ্রেণির দিবস সরকারিভাবে পালিত হলেও সাধারণত এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয় না।

অন্যদিকে, সরকার এর আগে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হওয়ায় প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি থাকবে এবং জাতীয়ভাবে দিবসটি পালিত হবে।