Image description

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছাড়ার এক মাস পর নিজ সংসদীয় এলাকা রাঙামাটিতে ফিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন দীপেন দেওয়ান।

 

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে রাঙামাটির প্রবেশদ্বার কাউখালীর বেতবুনিয়ার গোদারপাড় ও ঘাগড়ায় হাজারো নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

 

বিকেলে রাঙামাটি শহরের কাঠালতলীয় দলীয় কার্যালয়ে সামনে দীপেন দেওয়ান নেতাকর্মীদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন তিনি।

 

দীপেন দেওয়ান বলেন, আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, আমি এখনও সংসদ সদস্য আছি। বিএনপিকে নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং হচ্ছে, আমি এখন তা বরদাশত করব না।

 

তিনি আরও বলেন, বিএনপি আমার প্রথম ও শেষ ঠিকানা। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আজ আমাকে যে অনুপ্রেরণা দিয়েছে, এই ঋণ আমি কখনও শোধ করতে পারব না। আমি সব সময় তৃণমূলের ভাইদের সঙ্গে থাকব।

 

 

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন দীপেন দেওয়ান। বুধবার রাঙামাটি জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে। ছবি: এশিয়া পোস্ট
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন দীপেন দেওয়ান। বুধবার রাঙামাটি জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে। ছবি: এশিয়া পোস্ট

 

 

পাহাড়ি-বাঙালি ভাই-ভাই উল্লেখ করে দীপেন দেওয়ান বলেন, আমরা সবাই একসঙ্গে থাকতে চাই। সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব, যাতে আমাদের মধ্যে কেউ বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে।

 

তিনি বলেন, তারেক রহমান আমাদের প্রিয় দলের নেতা। আমাদের সম্মানিত চেয়ারম্যান। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ওনার বাইরে আমরা কোনো কিছু করব না। উনার আদেশ হচ্ছে সর্বশেষ আদেশ।

 

এ সময় আরও বক্তব্য দেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির ও রাঙামাটি পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো প্রমুখ।

 

গত ১ জুন অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা দীপেন দেওয়ান। একই দিন তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দীপেন দেওয়ান। ২০০৫ সালে জেলা যুগ্ম জজের চাকরি ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।