Image description

খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর ‘স্পেসিফিক ভ্যাট’ নামে প্যাকেজ আকারে নতুন ভ্যাট আরোপের পরিকল্পনা ছিল সরকারের। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, এখনই সেই ভ্যাট আরোপের পরিকল্পনা নেই সরকারের।

মূলত দেশে করজাল সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রথমবারের মতো খুচরা ব্যবসায়ীদের করের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়। এ লক্ষ্যে তাদের কাছে পণ্য সরবরাহের ওপর শূন্য দশমিক ২ শতাংশ অগ্রিম কর (এটিএ) আরোপের প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী। তবে ব্যবসায়ী নেতাদের আপত্তি ও উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে তা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের একজন কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, ‘বিধিমালা তো ফাইনাল করা হয়নি। বিধিমালা ফাইনাল না করলে বাস্তবায়ন হবে না। তবে হলে এখান থেকে বড় পরিমাণ রাজস্ব আসত বলে আমাদের ধারণা।’

তিনি বলেন, ‘শূন্য দশমিক ২ শতাংশ ভ্যাট কিন্তু থাকছেই। তবে এখনই এর বাধ্যবাধকতা নেই। বিধিমালা জারি হওয়ার আগ পর্যন্ত যে সিস্টেম ছিল, সেটাই বহাল থাকবে। সরকার চাইলে যেকোনো সময় করতে পারে।’

২০২৬-২৭ অর্থবছরে মুদি ও প্রসাধন সামগ্রীর দোকানসহ ১৬টি খুচরা ও সেবামূলক খাতকে পুনরায় ‘স্পেসিফিক ট্যাক্স’-এর আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছিল সরকার। গত ২৪ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।

এই পরিকল্পনার আওতায়, ৫০ লাখ টাকার কম বার্ষিক টার্নওভার থাকা ব্যবসায়ীদের এলাকাভেদে সহজ উপায়ে ভ্যাট নিবন্ধন দেওয়া হবে। এ ছাড়া নতুন বিধিমালার মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতি মাসে ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট কর্তন করার পরিকল্পনা করেছে এনবিআর।

এনবিআরে এই কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু আইনে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, সরকারও এখান থেকে রাজস্ব পেতে আগ্রহী, তাই সরকার চাইলে এই ভ্যাটের বিধিমালা এ বছরের শেষ দিকে জারি করতে পারে।