যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের অবমূল্যায়নের প্রভাবে ইরানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৮৮ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটিই সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির হার।
ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্র জানিয়েছে, জুন মাসে (ইরানি ক্যালেন্ডারের খোরদাদ মাস) বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮৮ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা এই পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। রুটি ও শস্যজাত পণ্যের দাম বেড়েছে ১৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ, দুধ, পনির ও ডিমের দাম ১৫১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং গরুর মাংস ও মুরগির দাম ১৭৮ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিশেষ করে লাল মাংস এখন অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে চলে গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেক মানুষ চাকরি হারিয়েছেন বা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। একই সঙ্গে তেল রপ্তানিতে বাধা এবং মুদ্রাবাজারে চাপের কারণে রিয়ালের দরপতন মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিয়েছে।
শীর্ষনিউজ