Image description

চট্টগ্রাম নগরে ৩০ হাজার কোটি টাকার মনোরেল প্রকল্প হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত জালিয়াত চক্রটির প্রতারণা এবার ধরা পড়েছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পর্যায়ে।

বৈশ্বিক নির্মাণ জায়ান্ট ওরাসকম কনস্ট্রাকশন এবং মিসরের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘দ্য আরব কনট্রাক্টর’ কায়রো সদর দপ্তরের পর এবার লিখিতভাবে এই চক্রের সব দাবি ভুয়া, অবৈধ ও ভিত্তিহীন ঘোষণা করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত খোদ মিসরীয় দূতাবাস।

গতকাল সোমবার দুপুর পৌনে ২টায় আগামীর সময়ের ইমেইলের ফিরতি বার্তায় এই আনুষ্ঠানিক অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামীর সময়ের প্রতিবেদকের সরবরাহ করা তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর বিষয়টি নিয়ে মিসরের সংশ্লিষ্ট মূল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চালায় দূতাবাস।

উভয় প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করেছে যে বাংলাদেশে ‘আরব কনট্রাক্টরস-ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়াম’ নামে কোনো জোট বা প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম চালাতে কোনো ধরনের স্বীকৃতি বা আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়নি তারা।

একই সঙ্গে মিসরীয় দূতাবাস অত্যন্ত কঠোর ভাষায় জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের কোনো মেগা প্রকল্প বা কাজ পাওয়ার উদ্দেশ্যে ওরাসকম কনস্ট্রাকশন গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য কাউছার আলম চৌধুরী নামের কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি কোনো ধরনের অথরাইজেশন, অনুমোদন কিংবা কূটনৈতিক অনুমোদন বা ছাড়পত্র।

কায়রোর মূল প্রতিষ্ঠানগুলোর লিখিত অস্বীকৃতি আগামীর সময়ে প্রকাশের পরও জালিয়াত চক্রের হোতা কাউছার আলমের পক্ষে সাফাই গেয়ে আসছিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

এমনকি গত ২০ জুন চসিকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছিল— ওরাসকম বাদ গেলেও এককভাবে এই ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে দ্য আরব কনট্রাক্টরস। তবে দূতাবাসের জবাবের পর জবাবহীন সিটি করপোরেশন।