Image description

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও মদন উপজেলায় পৃথকস্থানে বজ্রপাতে সামছুল হুদা(৩৫), আশরাফুল আলম(৩০) ও রাজিব (২৪) নামক তিন যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত সামছুল হুদা উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের দিগলী পশ্চিম পাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোর ৬ টার দিকে মুড়িয়া বিলে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সামছুল হুদা আজ ভোর ৬টার দিকে বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে মুড়িয়া বিলে মাছ ধরার জন্য গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। অনেকক্ষণ যাবৎ বাড়িতে না আসায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে গেলে তাকে হাওরে আহত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে  যাওয়ার আগেই তিনি মারা যান।

অন্যদিকে, উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের রমজান আলীর মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে আশরাফুল আলম (৩০) বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোর ৫ টার দিকে ডাউকি গ্রামের পাশের মরাপুড়ি ডোবায় ঘটেছে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আশরাফুলের মানসিক সমস্যা ছিল। আজ ভোরে বাড়ির পাশের মরাপুড়ি ডোবায় বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে ৫ টার দিকে বজ্রপাতে তিনি মারা যান। পরে পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করে দেখেন ডোবায় তার মরদেহ ভেসে রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী মাকসুদ বলেন, ‘উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের দিগলী পশ্চিম পাড়া গ্রামের সামছুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল আলম নামের দুই যুবক বজ্রপাতে নিহতের ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কেউ আমাদের অবগত করে নাই। তবে অবগত করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

আবার, জেলার মদনে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে রাজিব নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত রাজিব মিয়া (২৪) জয়পাশা গ্রামের সোনালী মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ইটভাটার শ্রমিক ছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের জয়পাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মদন থানার ওসি মো. সালাহ উদ্দিন করিম। 

ওসি সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, ‘সকালে বৃষ্টির মধ্যে রাজিব নিজের বাড়ির সামনে মাছ ধরছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।’ এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি।