Image description

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা ৯ বাংলাদেশি ৪০ ঘণ্টা ধরে অবস্থান করছেন নোম্যান্স ল্যান্ডে। ঝড়-বৃষ্টিতে মানবেতর জীবনযাপন তাদের। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করলেও বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকে এখনো কোনো সমাধান আসেনি।

 

পুশইনের পর বিজিবির সদস্যরা তাদের নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করতে থাকায় বিজিবি ও স্থানীয় এলাকাবাসী সতর্ক অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করেন।

জানা গেছে, ১৪ জুন ভোর ৫টার দিকে রৌমারীর গয়টাপাড়া ও মানকারচর সীমান্ত এলাকা দিয়ে দুই দলে মোট ৯ জনকে সীমান্তে এনে রেখে যায় বিএসএফ। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন এবং মানকারচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইন করা হয়।

গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থানরত ৬ জনের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার বংশেরকুল গ্রামের আবদুর রউফের ছেলে বিল্লাল হোসেন, একই গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে ছাব্বির হোসেন, মৃত শামসুল হকের ছেলে হিমেল, বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই শিশু কন্যা ফাতেমা ও ফাহিমা রয়েছেন।

মানকারচর সীমান্তে অবস্থানরত ৩ জন হলেন সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম (২৬) এবং নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার পারভেজ (২১)। এছাড়া হালুয়াঘাট উপজেলার কাউসিয়া গ্রামের নাইম (২২) নামের আরও ৩ জন ওই সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করায় তারা চরম দুর্ভোগে আছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ।