তুরাগ থানার সাবেক ও বর্তমানে রমনা থানার ওসি মুহাম্মদ রাহাৎ খানের বিরুদ্ধে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স জালিয়াতির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে তুরাগ থানায় দায়িত্ব পালনকালে এই ওসি ও ও তার সহযোগী দালাল ফারুক (আল-ফাহাদ ইন্টারন্যাশনাল) চক্র অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভুয়া ঠিকানা দেখিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিয়েছেন। রাজনৈতিক মামলায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মীকেও এই সুবিধা দিয়ে বিদেশে যেতে সহায়তা করেছেন।
অভিযোগের একটি উদাহরণ—রাজবাড়ীর আমির হামজা নামে এক ব্যক্তিকে দালালের মাধ্যমে তুরাগ এলাকার বাসিন্দা দেখিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রকৃত ঠিকানা তুরাগ এলাকায় ছিল না। চুক্তির কিছু অর্থ নগদে এবং বাকি ৩৫ হাজার টাকা ফারুকের অ্যাকাউন্টে নেয়া হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নথি যদি অর্থের বিনিময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রদান করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি শুধু প্রশাসনিক অনিয়ম নয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয়। তার বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি। পুলিশ সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
(প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের ফেসবুক পোস্ট)