কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী সাধারণত একজন রাষ্ট্রপ্রধান তার মেয়াদকালে অন্য কোনো দেশে একবারই রাষ্ট্রীয় সফর করেন। তবে সেই প্রচলিত নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে আবারও কাজাখস্তানে রাষ্ট্রীয় সফরে গেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
মঙ্গলবার (২৭ মে) শুরু হওয়া এই সফর চলবে আগামী ২৯ মে পর্যন্ত। কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সফরটিকে রাশিয়া-কাজাখস্তান সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরকালে কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ নিজে আস্তানা বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে পুতিনকে স্বাগত জানাবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরেও এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক আলোচনা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ভূমিকা রাখে। গত সাত বছরেরও কম সময়ে এটি পুতিন ও তোকায়েভের মধ্যে ৩৯তম ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ।
এই সফরটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে আরেকটি কারণে।
একই সময়ে আস্তানায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইএইউ শীর্ষ সম্মেলন। ফলে সফরটি আঞ্চলিক অর্থনীতি ও রাজনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
গত বছর প্রেসিডেন্ট তোকায়েভ রাশিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফর করেছিলেন। সে সময়ই তিনি ২০২৬ সালে কাজাখস্তান সফরের জন্য পুতিনকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
কাজাখস্তানে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেক্সি বোরোদাকিন এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।
তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ বছরে ভ্লাদিমির পুতিন মোট ৩৩ বার কাজাখস্তান সফর করেছেন। ২০০০ সালের অক্টোবরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার দেশটিতে যান তিনি।