চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের মিছিলের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের জানাজা-পরবর্তী মিছিলের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন যুবলীগ নেতা মো. মহিউদ্দিন (৩৯), মো. সুমন (২৪), মো. ইমন (২৩), যুবলীগ নেতা মো. মুর্তুজা মেহেদী প্রকাশ মেহেদী হাসান (২২), মো. বশর (২৪), মো. সজিব (২৭), মো. মুসা (৪২), মো. সোহেল (২৮), মো. মনির (৩৭), রায়হান (২৯), ইলিয়াছ প্রকাশ মিলন (২৬), মো. জাহিদুল হক সোহাগ (২৪), মো. শাহিন (২৭), মো. শরীফ (২০), মো. ছোটন (২৮), আলামিন (২৪), মো. সাদ্দাম হোসেন (২৯), মো. রাসেল (২৫) এবং মো. জয়নাল (২২)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের জানাজা শেষে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উদ্দেশে লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের সামনের রাস্তায় সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মিছিল শুরু করে। পুলিশের দাবি, কোতোয়ালি থানার এসআই শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের ফেলে যাওয়া ১৫টি ইটের টুকরা ও ৮টি লাঠি জব্দ করে। পরে পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মহানগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ১৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩) এর বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে। আসামিদের পুলিশ পাহারায় আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।