জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার চার মাস পার হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এতে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের মাঝে অনাস্থা তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে জকসু প্রতিনিধিদের আন্তরিকতা ও ইশতেহার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতির ওপর।
শিক্ষার্থীদের দাবি, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং অভ্যন্তরীণ বিভক্তির কারণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না জকসু। বিশেষ করে ছাত্রশিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র প্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ্যে চলে আসায় শিক্ষার্থীদের আস্থাও কমছে বলে মনে করছেন অনেকে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, এসব উদ্যোগের তুলনায় আবাসন সংকট, সম্পূরক বৃত্তি, ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান ও দাম, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অগ্রগতি কিংবা ইশতেহারে উল্লেখিত স্টারলিংক সুবিধার মতো মৌলিক দাবিগুলোতে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, চার মাস অনেক সময়। এর মধ্যেও জকসু প্রতিনিধিদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো এখনও বাস্তবায়ন করতে পারেননি। এ ছাড়া নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্যও তাদের পদক্ষেপ ধীরগতির।
লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিম হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত জকসু অনেকাংশে ব্যর্থ। বহু প্রত্যাশা নিয়ে জয়ী প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের আস্থা হারাচ্ছে। আবাসন সুবিধাসহ সেসব কাজ প্রাধান্য পাওয়ার কথা সেখান থেকে সরে গেছেন তারা।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, জকসু প্রতিনিধিরা দলীয় মতাদর্শের বাইরে কাজ করতে পারছেন না। শিবির ও ছাত্রদল উভয়ই নিজেদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। ফলে শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার আবাসন, সম্পূরক বৃত্তি এসব দাবি আদায়ে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। সকলেই ক্রেডিট চায়।
ক্যাম্পাসের সার্বিক সমস্যা সমাধানে শিক্ষার্থীরাই শক্তি উল্লেখ করে জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, এতো এতো সমস্যা, সব এক বছরের মধ্যেই করে ফেলতে পারব এমনটা ভাবাও বোকামি। তবে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা পেলে সেটা কিছুটা সম্ভব, কিন্তু জকসু সেটা পায় না। সময় শেষে শিক্ষার্থীরাই সিদ্ধান্ত নেবে জকসু কতটা সফল, কতটা ব্যর্থ বা তাদের আশা কতটুকু আমরা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।
জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, জকসু শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে সফল হয়েছে। জবি শিক্ষার্থীদের সমস্যা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় অনেক বেশি। সকল সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়। জকসু প্রতিনিয়ত নির্বাচনের পূর্বে দেওয়া ইশতেহার এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।
ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কাজগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি অনেক অছাত্র জকসুকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় চালায়। ফলে স্বাভাবিক পরিস্থিতি নষ্টের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। জকসুর কাজ শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে সফল হচ্ছে।
ছাত্রদল-শিবিরের বিভাজন, পাল্টাপাল্টি কার্যক্রম
জাতীয় কিংবা ক্যাম্পাস কেন্দ্রিক বিভিন্ন ইস্যুতে ছাত্র শিবির, ছাত্রদল এবং স্বতন্ত্র প্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, একই প্যাডে বিজ্ঞপ্তি কিংবা মানববন্ধনও করেন আলাদা। ফলে জকসুর প্রতি আস্থা হারাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
গত ২৫ এপ্রিল ডাকসু নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করে জকসু। এদিকে পরের দিন জকসুকে শিবিরের কার্যক্রমে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন ছাত্রদলের প্যানেলে নির্বাচিত পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সম্পাদক তাকরিম আহমেদ, পরিবহন সম্পাদক মাহিদ হাসান এবং কার্যনির্বাহী সাদমান সাম্য।
দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী লিমন ইসলাম বলেন, যারা শিক্ষার্থীদেরকে সংগঠিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করবেন, তাদের মধ্যে বিভক্তি হতাশাজনক। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সবাইকে একত্রিত থাকা উচিত। এমন বিভাজন ও বিভক্তিতে আমাদের মতো সাধারণ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জকসু সকল দলীয় ও মতের ঊর্ধ্বে গিয়ে কাজ করলে—তবেই গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র পদে বিজয়ী কার্যনির্বাহী সদস্য জাহিদ হাসান বলেন, সফল-বিফলের উত্তর আরও ৮ মাস পরে দিতে পারবো। ছুটি এবং জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন কারণে চার মাস বয়সি এই সংসদের বেশ কিছু কাজ করার ছিল, সেগুলো করতে পারিনি। পলিসি মেকিংয়ের জায়গায় জকসু অনেক বেশি দুর্বল। আমিসহ সকল সদস্যদের আরও বেশি শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট কাজে তৎপর হওয়া উচিত। সবাই সবার সেক্টরে ঠিক মতো কাজ করলে আশা করি কোনো বিষয়ে অভিযোগ থাকার কথা না।
তিনি আরও বলেন, কয়েকজন বাদে এখন অবধি পুরো জকসু বডি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হতে পারেনি। এদিকে জকসুতে দুটা প্যানেল এবং আমি একমাত্র স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছি। এখানে সবার চিন্তাধারা এক না থাকাটাই স্বাভাবিক। ভিন্ন চিন্তাধারা, জাতীয় পর্যায়ের ক্ষমতার প্রভাব, নেতৃত্বের অভাব জকসুকে বিভক্ত করছে।
ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ প্যানেল থেকে বিজয়ী সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সম্পাদক তাকরিম মিয়া বলেন, যে উদ্দেশ্যে জকসু চেয়েছিলাম, সে উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না। জকসুতে বিভক্তির কারণ সংখ্যা। শিবির প্যানেলের প্রতিনিধি বেশি। শিবির প্যানেলের বাইরে পাঁচজনের সিদ্ধান্তে তেমন কিছু যায় আসে না। এজন্যে ব্যক্তিগতভাবে কাজ করার সুযোগ খুঁজি।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে বিজয়ী পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি জকসু। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত প্রতিনিধি শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করবে। কিন্তু জকসুতে এমন কিছু প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন, যাদেরকে শিক্ষার্থীরা কখনও পাচ্ছেন না। জকসুতে বিভক্তি নেই, তবে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ প্যানেল থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা অনেক সিদ্ধান্ত এককভাবে নিয়ে থাকে, জাতীয় ইস্যুকে পলিটিক্যাল রূপ দেওয়ার চেষ্টা করে। যার কারণেই মূলত সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়।
ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, এক জায়গায় অনেক মানুষ থাকলে তাদের মধ্যে মতপার্থক্যও থাকে। আমাদের মতপার্থক্য রয়েছে। তবে জকসুতে বিভক্তির সুযোগ নেই। কারণ সবার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করা। সবাই সেটা করার চেষ্টা করছি। কাজের ধরন ভিন্ন হতে পারে, কিন্ত জকসুর লক্ষ্য একটাই- শিক্ষার্থীদের কল্যাণ।
জকসুর মধ্যে কোনো বিভাজন নেই এবং সকলে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ভিন্ন ভিন্ন দল থেকে নির্বাচিত হওয়ায় অনেক সময় দু-একজন প্রতিনিধি ভিন্নমত প্রকাশ করেন। তবে আমরা সবাইকে একসাথে নিয়ে কাজ করার এবং মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
এদিকে জকসুর কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করছে অভিযোগ তুলে গত ৬ মে বিবৃতি দেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’। সাদাদলের অভিযোগ, জকসু তাদের নিজস্ব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্নরকম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। এমনকি উপাচার্যকে নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করা হচ্ছে, যা উপাচার্যের ভাবমূর্তি এবং কর্ম উদ্দীপনা হ্রাস পাওয়ার বিষয়।
তবে এ বিবৃতির সমালোচনা করে ৭ মে জকসুকে নিয়ে অতি রাজনীতির অভিযোগ তুলে পাল্টা প্রতিবাদ বিবৃতি দেয় জকসু। এতে জকসু নেতারা দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক ও প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন হিসেবে জকসু সবসময় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি, সমস্যা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু সাদাদলের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের অধিকারকে পরোক্ষভাবে সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
ছাত্রনেতাদের সমালোচনা
কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ শিক্ষার্থীদের ম্যানডেট বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন শাখা ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ। নির্বাচিত শিক্ষার্থী সংসদ প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত সংকট সম্পর্কে শিক্ষার্থীদেরকে সংগঠিত করতে পারেনি। জকসু প্রতিনিধিদের ক্যাম্পাসের তুলনায় জাতীয় নির্বাচনে দলীয় কাজে বেশি আগ্রহ এবং দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগও করেছেন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের মৌলিক ও প্রধান সমস্যা নিয়ে নিরব জকসু নেতারা।
ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর ম্যানডেট নিয়ে প্রথমবার জকসু নির্বাচন সম্পন্ন হয়। নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনার শাসনামলে উন্নয়ন হয়নি। সেখানে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর, প্রতিনিধি হয়ে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরতে জকসু আশার বাণী হয়ে এসেছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীরা যেভাবে চেয়েছে সেটা জকসু করতে ব্যর্থ হয়েছে। জকসু দল-মত নির্বিশেষে কাজ করবে। কিন্তু একটি বিশেষ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ হওয়ায় তারা জকসুর মৌলিক কাজ করতে ব্যর্থ। হয়তো তারা কাজ করছে বা করার চেষ্টা করছে কিন্তু দৃশ্যমান কাজ করতে পারেনি।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসীভ বলেন, ছাত্র সংসদের প্রধান কাজ নানান সংকটে শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করে আন্দোলন গড়ে তোলা এবং দাবিগুলো আদায় করে নেওয়া। জকসু সেই অর্থে ব্যর্থ। তবে একারণে প্রতিবছর জকসু হওয়াকে আমরা নিরুৎসাহিত করব এমন নয়। কারণ, যতখানি গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্যাম্পাসে বিরাজ করে তার অন্যতম কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদগুলোর প্রতিনিধি শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হচ্ছে। নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া শিক্ষার্থীদেরকে একটা মতামত রাখার জায়গা দিচ্ছে। ফলে জকসু প্রতিবছর হতে হবে। এর মধ্য দিয়ে আজ না হলেও কাল—একজন যোগ্য প্রতিনিধি আমাদের সামনে হাজির হবে বলে আমরা আশা রাখি।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব বলেন, জকসু নির্বাচনের পর দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন হয়নি। ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের মান, আবাসন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ, সম্পূরক বৃত্তি এসব আগের মতোই আছে। তারা যে কাজগুলো করছেন, সেগুলো ভালো এবং প্রশংসার। কিন্তু মৌলিক ও প্রধান কাজগুলোর দিকে তাদের নজর দিতে হবে।
ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, জকসু এখন পর্যন্ত সার্বজনীন হয়ে উঠতে পারেনি। দলীয় প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা দলের পারপাসে কাজ করছে। ফলে জকসু যতটা ফলপ্রসূ হওয়ার কথা ছিল ততটুকু হয়ে উঠতে পারছে না। জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং পরের সময়ে আমরা দেখেছি যে জকসুর নেতৃবৃন্দ ক্যাম্পাস কেন্দ্রিক না হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে উৎসাহী। আমাদের প্রত্যাশা জকসু একটি প্রাণবন্ত, সার্বজনীন সংগঠন রূপে শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করুক।
গত চার মাসে জকসুর পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাস ট্র্যাকিং অ্যাপ JnU Express, গ্লোবাল অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক, অনলাইনে ফলাফল দেখার ব্যবস্থা, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স কর্নার, আইন অনুষদে ডিএলআর চালু, ফ্রি আইইএলটিএস ও গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স, আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা, ব্রিলিয়ান্ট ব্রেইনস ভ্যালির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বিভিন্ন জাতীয় ও ক্যাম্পাস ইস্যুতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি। পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংক স্থাপন করা হয়। তবে তা ঠিকভাবে কাজ না করায় এবং ধীর গতির হওয়ায় নতুনভাবে রাউটার স্থাপনের উদ্যোগ নেয় জকসু।