Image description

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটিতে ছাত্রলীগের ১১ জন নেতার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার পর এর ব্যাখ্যা দিয়েছে কলেজ শাখা ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে কলেজ ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের নেতারা এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

ছাত্রদল নেতাদের দাবি, গত ২ মে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করার পরই অভিযোগ ওঠে যে এতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ১১ জন নেতাকে রাখা হয়েছে।

তবে তারা বলেন, যাদের নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে তারা সবাই এম-৫৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ওই সময় তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ছাত্রলীগের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

 

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ওই শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের কোনো সক্রিয় কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। বরং তারা বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। যাচাই-বাছাই করেই তাদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

নেতারা আরো জানান, কলেজটিতে বর্তমানে প্রায় ১,০০০ থেকে ১,১০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী। অবশিষ্ট পুরুষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ১৫ থেকে ২০ শতাংশ আবাসিক সুবিধা পেয়ে থাকেন। পূর্ববর্তী সময়ে অনেক শিক্ষার্থীকে বাধ্য হয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান, সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. ইমতিয়াজ আহমেদ সিয়াম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আহ্বায়ক তানভীর আব্দুল্লাহ ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নূর এ জাওয়াত রুতাপসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।