Image description

কথা বললেই পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে এমনটি আর চলবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানুষ যদি কোন সমস্যায় পড়ে তবে যেনো তার সমস্যার কথা বলতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট শিল্পকলা একডেমিতে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, একটা কথা বললো, আর পুলিশ এসে ধরে নিয়ে গেলো। ‘নো’- মানুষ এটা চায় না। কেউ যদি কোনো অপরাধ করে তবে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা অন্য ব্যাপার।

তিনি বলেন, আজকে এই রাস্তায় এতো মানুষ ভিড় করলো, তারা তো সবাই বিএনপি করে না, তবু কেনো রাস্তায় নেমে এলো, কারণ মানুষ মনে করে, বিএনপি এখনো সঠিক পথে আছে। তাই মানুষ রাস্তায় নেমে তার সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু এই সমর্থন ধরে রাখতে পরিশ্রম করতে হবে। ছাড় দিতে হবে।

ছাড় দেওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি নেতা-কর্মীদের বলেন, আপনি ক্ষমতাসীন দলে কর্মী এই জিনিসটা মাথায় আনা যাবে না। এটি মাথায় আনলেই বরবাদ হয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সে নির্বাচনে সব জায়গায় একজন ক্যান্ডিডেট দিতে হবে। তার আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতা-কর্মীদের আচরণে জনগন যাতে অসন্তুষ্ট না হয় সেদিকে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে। সবাইকে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলারও নির্দেশ দেন তিনি।

সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

মতবিনিময় সভায় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শহিদ উদ্দন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদের হুইপ জিকে গৌছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকীসহ সিলেটে বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যগণ, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।