নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক পাঁচজন এসব তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছে নওগাঁর পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম।
এদিকে, এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। যেখানে বাদী হয়েছেন নিহত গৃহবধূ পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন।
পুলিশি হেফাজতে থাকারা হলেন, নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা, ভাগনে সবুজ রানা (২৫) এবং ভগ্নিপতি শহিদুল।
পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ড পর থেকে আমরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত সংগ্রহ করি। পুলিশের একাধিক তদন্ত সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। আলামতগুলো বিশ্লেষণ এবং পুলিশি হেফাজতে থাকাদের জিজ্ঞাসাবাদ যে তথ্য বেরিয়ে আসছে তাতে মনে হচ্ছে এই হত্যাকাণ্ড জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আমরা বিষয়টিকে এই মুহূর্তেই নিশ্চিত করে বলছিনা। আমরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়েছি এবং বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্সের সহায়তা নিয়ে ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছি। আরও কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন মনে করলে তাদেরকেও পুলিশি হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এদিকে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মরদেহগুলো বুধবার (২২ এপ্রিল) ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
গত সোমবার দিবাগত রাতে বাহাদুরপুর গ্রামের কৃষক হাবিবুররহমান, তার স্ত্রী পপি ও দুই শিশু সন্তানকে গোলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।