গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার এক পরিবারের জন্য কয়েকদিন ছিল উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় ভরা। তবে সব শঙ্কা কাটিয়ে অবশেষে এসেছে স্বস্তির খবর।একসঙ্গে পাঁচ নবজাতককে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছেন মা মাসুমা আক্তার।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার টোক ইউনিয়নের দীঘাবর গ্রামে পরিবারের সদস্যদের আনন্দঘন পরিবেশে সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি।
গত ৫ এপ্রিল রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিজারিয়ান (সি-সেকশন) অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাসুমার কোলজুড়ে আসে তিন কন্যা ও দুই পুত্র সন্তান। জন্মের পরপরই নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দেয়।
মাসুমার স্বামী কাজল মিয়া বলেন, “আমি কখনো ভাবিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরতে পারব। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন।”
চিকিৎসকদের পরামর্শে নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যার জন্য এনআইসিইউ থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর কাপাসিয়ার একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে আইসোলেশনে রাখা হয়।
ক্লিনিকটির চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানান, একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সময়মতো চিকিৎসা পাওয়ায় বর্তমানে মা ও শিশুরা সুস্থ রয়েছেন।
এ বিষয়ে ক্লিনিকটির প্রতিষ্ঠাতা ও খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. রুহুল আমিন বলেন, নবজাতকদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা কিছুটা জটিল ছিল। আইসোলেশনে রেখে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে সবাই সুস্থ থাকায় তাদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। তবে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
শীর্ষনিউজ