Image description

সারাদেশে দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল খোলা রাখার বিষয়ে সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। তারা দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা অথবা ৯টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে ব্যবসায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কারণ, খুচরা বিক্রির প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই হয় সন্ধ্যার পর। এ সময়টাই পিক আওয়ার।

 
 
 

তারা বলছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপিতে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসার অবদান ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাত্র ৩ শতাংশ দোকান ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করেন। গরম শুরু হলে ও তাপমাত্রা বাড়লে সন্ধ্যার তুলনায় দিনে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি হয়।

 
 

দোকান মালিকরা আরও বলেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনা করলে ব্যবসায়ীদের বড় অংশই কর্মীদের বেতন-ভাতা ও দোকান ভাড়া দিতে হিমশিম খাবেন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি দোকান ব্যবসায়ীরা পথে বসে যাবেন। এতে মালিক-কর্মচারী মিলিয়ে আড়াই কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি খাতে সৃষ্ট চাপ সামাল দিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার গত ২ এপ্রিল ঘোষণা দেয়, সারাদেশে দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ থাকবে। পরে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আরও এক ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার কথা বলা হয়। কিন্তু দোকান ব্যবসায়ীরা বলছেন, তাদের ব্যবসার মূল সময় কমে যাওয়ায় তাদের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। তাই এবার তারা দুপুর ১২টায় দোকান খুলে রাত ৮টা বা ৯টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চাইলেন।