গণঅভ্যুত্থানের সময় সেনানিবাসে আশ্রিতদের তালিকায় ৪ নম্বরে ছিল জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নাম। সেখান থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান তিনি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তিনি এতদিন সরকারের তীক্ষ্ণ নজরদারিতে ছিলেন। অনেকটা নজরবন্দি ছিলেন। তবে সঙ্গে স্বামী-সন্তানও ছিলেন।
চব্বিশের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের পর লাখো মানুষ সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হতে দেখে জীবন বাঁচাতে সংসদ এলাকার নিজ বাসভবন থেকে আত্মগোপনে যান শিরীন শারমিন। যাওয়ার সময় স্পিকারের জন্য বরাদ্দ গাড়ি ব্যবহার করেননি তিনি। সংসদ সচিবালয়ের পরিবহন পুল থেকে গাড়ি পাঠানো হলেও তিনি ওই গাড়ি ব্যবহার করেননি। পলায়নের সময় শিরীনের সঙ্গে ছিলেন স্বামী ও কনিষ্ঠ সন্তান। তবে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন, তা এখনো রহস্যঘেরা। অজ্ঞাত স্থানে থাকা অবস্থায়ই সরকার পতনের ২৭ দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর স্পিকার পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছিল।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মঙ্গলবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে তিনি ডিবি পুলিশ শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করে। আটকের পর ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন।
পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে উত্তরা, বনানীসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। এরপর দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হবে।