Image description

যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ তাদেরকে এ সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সেটি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জরুরি ভিত্তিতে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকাদান কার্যক্রম শুরু করছে সরকার। আজ রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। তবে সব শিশুকে এ টিকা দেওয়া যাবে না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এ সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

আরো জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

যেসব শিশুকে দেয়া যাবে না হামের টিকা
*যেসব শিশু বর্তমানে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছে বিশেষ করে উচ্চ জ্বর, তীব্র সংক্রমণ বা শ্বাসকষ্ট থাকলে তাদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

*যেসব শিশুর আগে হামের টিকা নেওয়ার পর মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্সিস) হয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রে পুনরায় এই টিকা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

*যেসব শিশু জন্মগত বা চিকিৎসাজনিত কারণে দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতায় ভুগছেযেমন ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছে বা দীর্ঘদিন স্টেরয়েড সেবন করছে তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া টিকা দেওয়া উচিত নয়।

*যেসব শিশু সম্প্রতি রক্ত বা রক্তজাত কোনো পণ্য গ্রহণ করেছে, তাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টিকা স্থগিত রাখতে বলা হয়।

কারা পাবে এই টিকা?
এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। আগে হামের টিকা নিয়েছে এমন শিশুরাও এই বিশেষ ক্যাম্পেইন থেকে টিকা নিতে পারবে।

প্রথম ধাপে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার আওতাধীন ৩০টি উপজেলা। পরে পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।