Image description

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহণ পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় বাসচালক আরমান খানের (৩১) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।  

নিহত আরমান রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিমখালখোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে।

আরমানের ফুফাতো ভাই বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই গুজব ছড়িয়েছেন যে বাসচালক পান খাওয়ার জন্য বাস থেকে নেমে গেলে হেলপার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু ঘটনাটি সত্য নই। বাসটি আরমান চালাচ্ছিলেন। কারণ বাস থেকে যদি আরমান নেমেই যাবে তাহলে লাশ কেন পাওয়া গেল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সৌহার্দ্য পরিবহণের একজন স্টাফ বলেন, মঙ্গলবারের দুর্ঘটনার বাসটি চালাচ্ছিলেন আরমান। তার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সও আছে। 

এদিকে এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। তলিয়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ নারী, চার পুরুষ ও ৮ শিশু রয়েছেন বলে জানায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল।

হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে ১৬ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আরও ৫টি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ২টি লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, বাসটি নদীর ৮০ থেকে ৯০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। একপর্যায়ে বাসটি পন্টুনের নিচে আটকে যায়। উদ্ধারকারী জাহাজ বাসটি ধীরে ধীরে ওপরে তুলে আনে।

বাসটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার সময় তাৎক্ষণিক ১১ জনের মতো যাত্রী বাস থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনার পরপর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে জোরালো অভিযান শুরু করে কর্তৃপক্ষ।