Image description

মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন আজ সোমবার (২৩ মার্চ) পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপে ভানুগাছ-শ্রীমঙ্গলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ২০ মিনিটের রাস্তা যেতে সময় লাগছে এক-দেড় ঘণ্টা। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকদের।

মৌলভীবাজারের পর্যটনশিল্পের অন্যতম হচ্ছে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।

এই উদ্যানে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটক এসেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় প্রচুর পরিমাণে পর্যটক রয়েছেন। শনিবার ঈদের দিন থেকে দুপুর পর্যন্ত উদ্যানের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা ভানুগাছ-শ্রীমঙ্গল সড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বন বিভাগের কিছু সদস্য যানজট নিরসনে কাজ করলেও এর সমাধান হচ্ছে না।
আজ তৃতীয় দিন আরো বেশি যানজট লেগেছে।

 

সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুর থেকেই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলকায়। উদ্যানের পাশে ছোট একটি পার্কিং ব্যবস্থা থাকলেও তা গাড়ির তুলনায় খুবই সংকীর্ণ। সড়কের দুই পাশে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত টমটম, জিপগাড়ি রাখার কারণে পর্যটকের গাড়ি এলেই যানজট সৃষ্টি হয়।

দেশি পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের যানজটে আটকে থাকতে দেখা যায়। 

 

যানজটে আটকা পড়া পর্যটকরা জানান, দীর্ঘ ৩-৪ কিলোমিটার সড়কে যানজট লেগেই আছে। কয়েকজন ছাড়া এর নিরসনে কেউ কাজ করছে না। দীর্ঘ পথ পারি দিয়ে উদ্যানের সামনে এসে অনেক পর্যটকের সময় নষ্ট হয়েছে। বন বিভাগ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ এ বিষয়ে আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

 

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘সকালে কমলগঞ্জ উপজেলা থেকে যাত্রী নিয়ে শ্রীমঙ্গল গিয়েছিলাম। যাওয়ার সময় যানজট ছিল, আসার সময় প্রায় ৪ কিলোমিটার যানজট ছিল। পর্যটক নিয়ে আসা বড় বড় বাস যাওয়ার সময় যানজট সৃষ্টি হয়। কারণ বিভিন্ন যানবাহন সড়কের পাশে পার্কিং করে রাখা হয়।’

বনবিভাগ বলছে, অতিরিক্ত পর্যটকের আগমনের কারণে এই যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বনবিভাগ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ জোনের ওসি কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে যানজট নিরসনে ট্যুরিস্ট পুলিশ সব সময় কাজ করছে। সড়কের তুলনায় অতিরিক্ত গাড়ি থাকায় ও উদ্যানের সামনে বেশি গাড়ি থাকায় বিকেলে এই যানজট সৃষ্টি হয়।’