Image description

ঈদের তৃতীয় দিন ও টানা সরকারি ছুটির শেষ দিনে পর্যটকের ঢল নেমেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসু মানুষের মহামিলন মেলায় পরিণত হয়েছে পুরো এলাকা। শুধু সৈকতই নয়, কক্সবাজারের প্রত্যেক পর্যটনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে সকাল থেকেই সৈকতে ভিড় করেন পর্যটকরা।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট ও এর আশপাশের সব পর্যটনকেন্দ্রে মানুষের ঢল। কেউ সমুদ্রস্নান, কেউ ছবি তোলা, আবার কেউবা প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে ব্যস্ত ছিলেন।

 

তবে আনন্দঘন এই পরিবেশেও অনেক পর্যটকের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে হোটেল ভাড়া ও খাবারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তাদের দাবি, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। 

 

এমনকি সমুদ্রসৈকতে ঘোড়ার পিঠে ছবি ধারণ করার জন্যও আদায় করা হচ্ছে ১০০ টাকা করে। এক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের শরণাপন্ন হয়েও পর্যটকরা প্রতিকার পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। 

ঢাকা থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছি।

কিন্তু হোটেল ভাড়া ও খাবারের দাম অনেক বেশি নেওয়া হচ্ছে, যা মেটানো আমাদের জন্য কষ্টকর।

 

তবে অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, পর্যটকের চাপ বেশি থাকায় চাহিদা অনুযায়ী মূল্য কিছুটা বাড়তে পারে। তবে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তারা।

এদিকে, পর্যটকদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল। তাদের মতে, পর্যটনবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত ভাড়া ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

 

এ ব্যাপারে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলম বলেন, ইতোমধ্যে হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।