আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে সরকার লঞ্চের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ১০ শতাংশ কমিয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। এছাড়া নৌ-পথে বাড়তি ভাড়া নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা জানান।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন আসছি। ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা আসবো। ঈদ পরবর্তীতে যখন মানুষ ফিরবে তখনও আমরা আসবো। এখন পর্যন্ত আমরা কোথাও থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি। না যাত্রীদের কাছ থেকে, না সাংবাদিক বন্ধুদের কাছ থেকে, না অন্য কোথাও থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি।’
যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার ঈদযাত্রা সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো সরকার নির্ধারিত ভাড়া জাহাজ মালিকদের সঙ্গে আলোচনার সাপেক্ষে ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। সেই ভাড়া প্রত্যেকটি জাহাজের সামনে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অতীতে এমন ঘটেছে কিনা জানি না।’
এছাড়া সব লঞ্চের কাগজপত্র ও ফিটনেস ঠিক আছে কিনা প্রতিদিন চেক করা হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকটি জাহাজ চেক করছি। যেটিকে আমরা ফিটনেসের আওতার বাইরে পাব সেটিকে আমরা ছাড়তে দেব না। অতিরিক্ত ভাড়ার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোনো প্যাসেঞ্জার আমাদের কাছে কমপ্লেন করেনি। আমরা তারপরেও প্রত্যেকটি জাহাজে চেষ্টা করছি যে ভাড়ার বিষয়ে কারো কোনো অভিযোগ আছে কিনা।’
নতুন চালু করা দুইটি ঘাট কন্টিনিউ করা হবে কিনা জানতে চাইলে রাজিব আহসান বলেন, ‘এইটা আমরা পরীক্ষামূলকভাবে ঈদের দিন পর্যন্ত চালাবো। ঈদের পরে আমরা এটা নিয়ে বসবো। আমরা এটা কন্টিনিউ করব এই প্রত্যাশা নিয়েই কিন্তু রেডি করছি। আপনারা দেখবেন আমরা কিন্তু স্থায়ীভাবে সবকিছু করছি। সুতরাং ওটা কন্টিনিউ করতে গেলে ঈদের পরে আমাদের রুটগুলো নিয়ে বসতে হবে। কোন কোন জাহাজ ওই ঘাটগুলোর ক্ষেত্রে অপারেট করবে সেগুলো নিয়ে তাদের সঙ্গে আলাপ করতে হবে। আলাপ করে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আমরা খুবই আশাবাদী এবং আত্মবিশ্বাসী যে ঘাটগুলো আমরা কন্টিনিউ করতে পারবো।’
শীর্ষনিউজ/