নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বাড়ির সামনে ডোবায় হাঁস ছাড়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক শিক্ষার্থীসহ সাতজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাটনাইয়া (আলিপুর) গ্রামের মাসুদ মিয়ার লোকজন রবিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে রফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে ডোবার পানিতে জোরপূর্বক হাঁস ছেড়ে দেয়। এ সময় রফিকুল ইসলামের লোকজন এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ রয়েছে, মাসুদ মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় আহতরা হলেন- মজিবুর রহমান (৫৫), তরিকুল ইসলাম (৪৫), আঙ্গুর আলী (২৮), বায়জিদ (১৬), সাহেরা খাতুন (৬০), শাপলা (২২) ও আরিফুল ইসলাম ওরফে স্বাধীন (৩৬)। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত আরিফুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আটজনকে আসামি করে গতকাল রাতে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে। আসামিরা হলেন— মো. মাসুদ (৩৮), নেহাতুল্লা (৫৫), আমিরুল (২০), আলিউল্লাহ (৬০), ওলিউল্লাহ (৫৫), সোলেমান (২৫), সালমান (২২) ও জুলহাস (২৭)। তারা সবাই হাটনাইয়া (পূর্ব আলিপুর) গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার প্রধান আসামি মো. মাসুদ মিয়ার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে কল রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর ফোন কেটে দেন এবং পরে আর কল রিসিভ করেননি।
মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নেহাতুল্লা নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আজ সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।