Image description

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ও দুর্নীতির মামলায় দীর্ঘ তিন মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। আজ রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে কারামুক্তিতে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, দীর্ঘ তিন মাস বিরতির পর সবার সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের চেষ্টা করছি এখন থেকে। সবার কাছে কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা—কারামুক্তিতে যারা সহযোগিতা ও সমর্থন করেছেন।

যারা নেপথ্যে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা ব্যক্তিগতভাবেই জানাব। দুঃখিত যে, ফোন হাতে না পাওয়ায় গত ২৪ ঘণ্টা ধরে মুক্ত থেকেও কথা বলতে পারিনি অনেকের সঙ্গে।

 

এর আগে গতকাল শনিবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ও দুর্নীতির আলাদা মামলায় তিন মাস কারাভোগ শেষে মুক্ত পান সাংবাদিক আনিস আলমগীর। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-২ থেকে তিনি ছাড়া পান বলে জানিয়েছেন কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক জান্নাত উল ফরহাদ।

জানা যায়, গত  বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর মধ্যরাতে জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র এবং নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার অভিযোগে আনিস আলমগীরসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এ মামলা করেন।

এ মামলায় আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত আনিস আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করলে তার আইনজীবী হাইকোর্টে আবেদন করেন। গত ৫ মার্চ উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান আনিস আলমগীর।

 

এর মধ্যে গত ১৫ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ২৮ জানুয়ারি দুদকের আবেদনে আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। এ মামলায় গত ১১ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ।

এরপর গতকাল কারামুক্ত হন তিনি।