Image description

এসএসসি-এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষার আইন পাল্টাতে হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ১৯৮০ সালে যে আইন করা আছে, সেটায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও প্রতিবন্ধী মানুষের মধ্যে হুইল চেয়ার বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নতুন আইন বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি এই অধিবেশনে এটা করতে পারব কিনা জানি না। ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নতুন আইন বাস্তবায়ন সম্ভব না। তবে ভবিষ্যতে পাবলিক পরীক্ষার আইন পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন আইন পরিবর্তনের আগে বিদ্যমান পরীক্ষা নিতে হবে এবং তা সুষ্ঠু পরিবেশে হবে। 

আইন পরিবর্তনের কারণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, ‘আগের আইন দিয়ে আমি নকল প্রতিরোধ করেছি। এখন যদি এ আইনের দুর্বলতা নিয়ে কথা বলি, তাহলে তো হবে না। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে পাবলিক পরীক্ষা আইন প্রণয়ন করেন। এটিকে যুগোপযোগী করতে হবে। অনেক সাংবাদিক একসঙ্গে পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢুকে শিক্ষার্থীদের লেখায় বিঘ্ন না ঘটান, সে বিষয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার প্রশ্নই ওঠে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানিজিং কমিটিতে অর্ধশিক্ষিত নয় বরং শিক্ষাক্ষেত্রে যাদের অবদান আছে তাদের নিয়েই কমিটি করার চিন্তা-ভাবনা চলছে। এরইমধ্যে অর্ধশিক্ষিত লোকজন দিয়ে কমিটি গঠনের যে তথ্য প্রচার হয়েছে তা অসম্পূর্ণ এবং বিকৃত।