যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান একাধিক ফোনালাপ করেন। তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।
ভন ডার লেয়েনের সঙ্গে আলোচনায় এরদোগান সব পক্ষকে কূটনীতি ও সংলাপে ফিরে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় তুরস্ক সহায়তা দিতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় প্রয়োজন।
এরদোগান কুয়েতের আমির মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ-এর সঙ্গেও কথা বলেন। কুয়েতকে লক্ষ্য করে হওয়া হামলার ঘটনায় তিনি সমবেদনা জানান এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে কূটনীতি ও আলোচনা সবচেয়ে যৌক্তিক পথ বলে উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান-এর সঙ্গে আলাদা ফোনালাপে সৌদি আরবে হামলার ঘটনায় সহানুভূতি প্রকাশ করেন এরদোগান। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংঘাত চলতে থাকলে তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিকভাবে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল-বুসাইদি-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে। সংকট নিয়ন্ত্রণে রাখতে আঙ্কারা সক্রিয়ভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
শীর্ষনিউজ