Image description

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করতে ৩০টি বোমা ফেলা হয়েছিল তার কম্পাউন্ডে। ইকোনমিক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ইসরাইলের যুদ্ধবিমানগুলো খামেনির কম্পাউন্ড বা বাসভবনে ৩০টি বোমা ফেলে শনিবার। এতে কম্পাউন্ডটি জ্বলেপুড়ে যায়। তারপর বিধ্বস্ত হয় ওই ভবন। খবরে বলা হয়, সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ইসরাইলি বিমানগুলো ওই কম্পাউন্ডে প্রায় ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে। ধারণা করা হয়, খামেনি যে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ব্যবহার করতেন, সেটি ধ্বংস করতে একাধিক শক্তিশালী বোমা প্রয়োজন। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৯টা ৪০ মিনিটে অভিযানটি পরিচালিত হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই যৌথ অভিযানটি কয়েক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খামেনির চলাফেরা নজরদারি করে এবং ইরানের শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে।

 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার সকালে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের তথ্য ইসরাইলি গোয়েন্দারা শনাক্ত করে ফেলে। দুই ইরানি সূত্র জানায়, হামলার কিছুক্ষণ আগে আলি শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করেন খামেনি। মার্কিন সূত্রের মতে, খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই যৌথ বিমান ও নৌ অভিযান শুরু হয়। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, এই গোয়েন্দা তথ্য আসে সিআইএ থেকে এবং তা ইসরাইলের কাছে হস্তান্তর করা হয় হামলা পরিচালনার জন্য। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হামলার পরিকল্পনায় প্রথম লক্ষ্য ছিল খামেনি, যাতে আকস্মিকতার সুবিধা বজায় থাকে এবং তিনি লুকিয়ে যাওয়ার সুযোগ না পান।