ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেইসঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানই ট্রাম্প প্রশাসনের পছন্দের পথ, তবে প্রয়োজন হলে অন্য বিকল্পও ব্যবহার করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে একেবারে পরিষ্কার—ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘সামরিক পদক্ষেপই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। প্রেসিডেন্ট যেমন বলেছেন, আমরা কূটনীতির পথেই সমাধান চাই। তবে বিষয়টি খুবই সরল—বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক ইরান যেন পারমাণবিক সন্ত্রাসের হুমকি দিতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
ভ্যান্সের মতে, অধিকাংশ আমেরিকানই মনে করেন ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়; এটি জাতীয় ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার প্রশ্ন।
তিনি জানান, আলোচনা চলমান থাকলেও প্রয়োজনে বিকল্প পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্প প্রস্তুত আছেন।
তার ভাষ্যমতে, ‘প্রেসিডেন্ট কূটনৈতিকভাবেই বিষয়টি সমাধান করতে চান, তবে প্রয়োজনে তার হাতে আরও অনেক উপায় রয়েছে।’
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা তৃতীয় দফা পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনায় বসেছেন।
ভ্যান্স আশা প্রকাশ করেন, ইরান এই আলোচনাকে ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ নেবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে অপসারণের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান এবং বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত কোন পথ নেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্টই নেবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা কূটনৈতিক আলোচনায় বসেছি একটি যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছানোর জন্য। তবে সেই সমাধানের লক্ষ্য একটাই—ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। বিষয়টি এতটাই সরল।’
যুক্তরাষ্ট্রের এ ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমরা চাই সামরিক পদক্ষেপ ছাড়াই ভালো সমাধান হোক। কিন্তু প্রয়োজন হলে প্রেসিডেন্টের সেই অধিকারও রয়েছে।’