Image description
 
 

ইরানে হামলা চালানোর প্রস্তুতি শেষের কাছাকাছি আছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার দেশটির ইরানে হামলা চালাবে বলে ধারণা করছে ইসরাইল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।

 

রোববার (২৫ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২।  তারা বলেছে, হামলার পর ইরান যে পাল্টা হামলা চালাবে সেটিরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন মার্কিন সেনারা।

সংবাদমাধ্যমটি আরও বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী, যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েনে যুক্তরাষ্ট্রের আর কয়েকদিন সময় লাগবে।

চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, গত আটমাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে এবারই সবচেয়ে বড় সেনা ও যুদ্ধাস্ত্র জড়ো করছে যুক্তরাষ্ট্র। যার মধ্যে রয়েছে রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং ক্রুজার। এরসঙ্গে আছে ফাইটার স্কোয়াড্রোনস এবং বাড়তি আকাশ ও মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

 

গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান ইরানের দিকে তাদের বিশাল নৌবহর যাচ্ছে। তার এমন মন্তব্যের পর ইরানে মার্কিনিদের হামলার গুঞ্জন জোরালো হচ্ছে। যদিও ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এসব যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করতে চান না। এ বদলে ইরান সরকারের সঙ্গে সংলাপ চান।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। যা অল্প সময়ের মধ্যে সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভে রূপ নেয়। বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নেয় ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে প্রায় চার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

ট্রাম্প বিক্ষোভ চলার সময় হুমকি দিচ্ছিলেন ইরানে হামলা চালাবেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি জানান ইরান হত্যা বন্ধ করে দেওয়ায় হামলার পরিকল্পনা থেকে তারা সরে এসেছেন।

ইসরাইলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড সাধারণ ইসরাইলিদের যে নির্দেশনা দিয়েছিল সেটি পরিবর্তন করেনি। কিন্তু যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন হয় তাহলে নির্দেশনায় পরিবর্তন আনা হবে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড হুমকি দিয়েছে এবার তাদের ওপর ছোট বা বড় হামলা চালানো হোক না কেন সেটিকে তারা সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে।

সূত্র: চ্যানেল-১২