Image description

সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরসহ সাতটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠন করা 'শান্তি পর্ষদে' যোগ দিচ্ছে। এক যৌথ বিবৃতিতে এমনটি বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। 

শুরু থেকেই বলা হচ্ছে, এই পর্ষদ গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সহায়তা করবে এবং পুনর্গঠনে তদারকি করবে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের কোনো উল্লেখ নেই, বরং এটি জাতিসংঘের কিছু কার্যক্রমের বিকল্প হিসেবে নকশা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সৌদি আরব জানিয়েছে, তারাসহ তুরস্ক, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও কাতার—এই মুসলিম-অধ্যুষিত দেশগুলোর জোট গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, পুনর্গঠনে সহায়তা এবং তাদের ভাষায় 'ন্যায়সংগত ও টেকসই শান্তি' প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একমত হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, পুতিন তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, 'তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তিনি গ্রহণ করেছেন। অনেকেই গ্রহণ করেছেন।'

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পুতিন দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, আমন্ত্রণটি এখনো বিবেচনায় রয়েছে। তিনি আরও জানান, জব্দ থাকা রুশ সম্পদ থেকে এক বিলিয়ন ডলার দেওয়ার জন্য রাশিয়া প্রস্তুত এবং তার দৃষ্টিতে এই পর্ষদ মূলত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক।

ট্রাম্পের এই নতুন সংস্থায় ঠিক কতটি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। কানাডা ও যুক্তরাজ্য আমন্ত্রিতদের মধ্যে থাকলেও এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, আলবেনিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, মরক্কো ও ভিয়েতনাম এরইমধ্যে এতে যোগ দিয়েছে।

বুধবার ভ্যাটিকান নিশ্চিত করে যে পোপ লিও আমন্ত্রণ পেয়েছেন। সেদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন বলেন, এতে অংশ নেবেন কি না—সে সিদ্ধান্ত নিতে পোপের কিছুটা সময় প্রয়োজন।

তবে স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলব জানিয়েছেন, তিনি আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

শান্তি পর্ষদে ডোনাল্ড ট্রাম্প চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবেও থাকবেন। নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নিয়োগ এবং অধীনস্থ সংস্থা গঠন বা বিলুপ্ত করার ক্ষমতাও তার হাতে থাকবে।

গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী বোর্ডের সাত সদস্যের নাম ঘোষণা করে। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার।