জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ বলেছেন ইরান সরকারের শেষ দিন ও সপ্তাহগুলো দেখছেন তারা।
তিনি বলেন, “যখন একটি সরকার শুধু সহিংসতা দিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখে, তখন আসলে এর কার্যকারিতা শেষ। জনগণ এখন সরকারের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে।’
এদিকে ইরানে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ নিজ দেশে ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বিক্ষোভে দমন পীড়নের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইরান সরকার নীরবে হত্যা ও দমন চালানোর জন্যই ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে।
ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় দুই সপ্তাহেরও বেশি আগে, ২৮ ডিসেম্বর।
তেহরানের খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ব্যাপক পড়ে যাওয়ায় তেহরানের দোকানিরা রাস্তায় নেমে আসলে বিক্ষোভের সূচনা হয়।
এই বিক্ষোভ ইতোমধ্যে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়েছে।
ইরান ইন্টারন্যাশনালের বরাতে জেরুজালেম পোস্ট দাবি করেছে, ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। তবে এসব সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ জানিয়েছে, গত মাসে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬৪৬ জনের মৃত্যুর তথ্য তারা নিশ্চিত করতে পেরেছে।