Image description
 

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলাকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে বাজে আগ্রাসন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো।

স্প্যানিশ ভাষায় দেওয়া একটি ভিডিও ভাষণে তিনি দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বানও জানিয়েছেন। এ সময় তিনি দেশজুড়ে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ভেনেজুয়েলা মাদুরোর নির্দেশ অনুসরণ করছে উল্লেখ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে কিন্তু তারা আমাদের দমন করতে পারবে না।’

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।

 
 

শনিবার (৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ২টায় দেশটির রাজধানী কারাকাসসহ অন্যান্য অঞ্চল বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। এরপর ভেনেজুয়েলার সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন জায়গায় সামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে।

 

ভেনেজুয়েলা সরকার অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র কারাকাসে ‘আগ্রাসন’ চালিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘সামরিক আগ্রাসন’ প্রত্যাখ্যান করছে। এ পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট এই হামলাকে তার দেশের তেল ও খনিজ সম্পদ কেড়ে নেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা হিসেবে নিন্দা করেছেন।

ভেনেজুয়েলা সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, কারাকাসের পাশাপাশি মিরান্ডা, আরাগওয়া এবং লা গুয়াইরা রাজ্যেও হামলা চালানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো দেশজুড়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে মোতায়েন করেছেন।

এদিকে ভেনেজুয়েলায় শনিবার ভোরে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিবিসির খবরে বলা হয়, মাদুরোকে কীভাবে ধরা হয়েছে বা তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য পাঁচ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।

প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ভেনেজুয়েলা সরকার তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি।