লন্ডন থেকে ছেড়ে আসা পোল্যান্ডগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর ১৮১ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি ওয়ারশর শোপেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিবর্তে মডলিন বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এদিকে নিরাপত্তার কারণে পোল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ততম বিমানবন্দর শোপেন বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে বিমান চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে সম্ভাব্য বোমা হামলার সতর্কবার্তা পাওয়ার পর বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। এ ঘটনায় জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীরা বিমানবন্দরে ছুটে যান। সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় মডলিন বিমানবন্দরও।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের বিমানটি সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ওয়ারশর শোপেন বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। তবে ‘বিমানে বিস্ফোরক ডিভাইস থাকার তথ্যের কারণে’ সকাল ৯টা ৫৪ মিনিটে ফ্লাইটটির গতিপথ পরিবর্তন করা হয় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মডলিন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মডলিন বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন একজন মুখপাত্র। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো হুমকির তথ্য যাচাই করছে। মডলিন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘যাত্রী, কর্মী ও বিমানবন্দরের কর্মচারীদের নিরাপত্তাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’
অবতরণের পর বিমানটিকে বিমানবন্দরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। সোমবার একই ধরনের হুমকির পর লন্ডন থেকে আসা উইজ এয়ারের একটি ফ্লাইটকে সহায়তা করতে একটি যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছিল। ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই নতুন এই ঘটনা ঘটল।
এদিকে পোল্যান্ডের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন থেকে আসা এসএএসের একটি বিমানকে কেন্দ্র করেও দেশটিতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ভার্চুয়াল নভি ডভোর জানিয়েছে, বিমানটি শোপেন বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। বিমানবন্দরটি এখনো খোলা রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে যাত্রীদের সম্ভাব্য বিলম্ব ও ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।