Image description

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার গণবিক্ষোভের উদাহরণ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সতর্ক করেছেন সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। তিনি বলেছেন, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে, তা বুঝতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ এবং আন্দোলনকারীদের আটকের অভিযোগের মধ্যে ওয়াংচুক এ মন্তব্য করেন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই আন্দোলন চলছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের একটি অনুষ্ঠানে ওয়াংচুক বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশে সংসদ ভবনের সামনেই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়। যুক্তরাজ্য, নরওয়ে ও সুইডেনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, এসব দেশে সংসদের কাছেই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের সুযোগ রয়েছে।

ভারতের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করে ওয়াংচুক বলেন, দেশটিতে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান সংসদ ভবন থেকে অনেক দূরে। আগে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করার সুযোগ থাকলেও সেটিও সংসদ ভবন থেকে বেশ দূরে অবস্থিত।

এদিকে দিল্লিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের দাবি, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন ঠেকাতে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়েছে। আন্দোলনে যোগ দিতে যাওয়ার পথেও অনেকে বাধার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সরকারকে সতর্ক করে ওয়াংচুক বলেছেন, বিক্ষোভের অনুমতি না দিলে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার দিকে তাকালেই বোঝা যায়। তার ভাষ্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ সংকুচিত না করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মানুষের অসন্তোষ প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস