দিল্লির যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে মোদি সরকার। তারপরও সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কাকে ভর্ৎসনা করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।
বুধবার শুনানিতে আদালত বলে, ‘আপনারা (বিক্ষোভের) সামনের সারিতে রয়েছেন। আপনারা যখন ব্যারিকেড ভাঙেন, তখন অন্যরা আপনাদের অনুসরণ করতে পারে। এমনও হতে পারে যে, সেখানে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন যারা আপনাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’
আদালত পর্যবেক্ষণে বলে, ‘যে কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতির উদ্দেশ্য শুধু বিক্ষোভকারীদের আটকানো নয়, বরং অন্যদেরও আটকানো। যাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে অন্যেরা যোগ দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন।’
অন্য দেশের প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি বিচারপতি সুব্রমনিয়ম প্রসাদ বলেন, ‘আমরা দেখেছি এটা দেশের বাইরেও হয়েছে। ছাত্রবিক্ষোভ দিয়ে যেটা শুরু হয়েছিল, তা পরে অশান্ত হয়ে উঠেছে।’ তবে কোনো দেশের নাম আদালত উল্লেখ করেনি।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করে দেওয়ার পর গত ১৩ অক্টোবর সৌরভ, আশুতোষ ও কয়েকজন সিজেপি সমর্থক লোহার গেট টপকে সেখানে ঢুকেছিলেন। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে স্লোগান দেন তারা। পুলিশ তাদের প্রত্যেককে আটক করে। আশুতোষ ও সৌরভকে আগের বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে আশুতোষ, সৌরভ ও সিজেপি প্রধান দীপকেকে জামিন দেওয়া হয়েছিল। সেই শর্ত কেন লঙ্ঘন করেছেন, সে প্রশ্ন তোলে আদালত।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন