পর্তুগালে জনসম্মুখে মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ করে করা নতুন আইন আজ ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। এই আইন ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ইউরো জরিমানা হতে পারে। আইনটি পরিচিত 'বোরকা আইন' নামে।
‘আইন ৫৮/২০২৬’ অনুযায়ী, জনসম্মুখে এমন পোশাক পরা নিষিদ্ধ, যা মুখ ঢেকে রাখে বা কোনো ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে বাধা সৃষ্টি করে। আইনটি গত ২৪ আগস্ট সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের ৩০ দিন পর এটি কার্যকর হওয়ার বিধান ছিল।
আইন ভাঙার ক্ষেত্রে অবহেলা প্রমাণিত হলে ১৫০ থেকে ৭৫০ ইউরো এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করলে ৪০০ থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
তবে সব ক্ষেত্রে মুখ ঢাকার ওপর প্রযোজ্য হবে না নিষেধাজ্ঞা। স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন, পেশাগত কাজ, শিল্প ও বিনোদন, বিজ্ঞাপন, নিরাপত্তাজনিত কারণ এবং আবহাওয়ার কারণে মুখ ঢাকার অনুমতি রয়েছে। অন্য কোনো আইনের অধীনে মুখ ঢাকার অনুমতি থাকলেও এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
বিমান, কূটনৈতিক ও কনস্যুলার স্থাপনা, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানও রাখা হয়েছে এই আইনের আওতার বাইরে।
নতুন আইনে কাউকে জোর করে মুখ ঢাকতে বাধ্য করার ক্ষেত্রেও রয়েছে শাস্তির বিধান। হুমকি, সহিংসতা, জবরদস্তি কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কাউকে মুখ ঢাকতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ২৪০ দিনের জরিমানা হতে পারে। ভুক্তভোগী অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে শাস্তি বাড়বে এক-তৃতীয়াংশ। সরকারি গেজেটে এটিকে জনসম্মুখে নাগরিকের পরিচয় শনাক্তকরণসংক্রান্ত নিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক বিধান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।