Image description

ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিতে বড় ধরনের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি তেল মজুদের ওপর নিরঙ্কুশ  নিয়ন্ত্রণ পেতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।

এই উদ্যোগ নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা সম্পর্ক।

কেন এই চুক্তি, আর এর পেছনে আসল উদ্দেশ্যই বা কী?

স্থানীয় সময় শুক্রবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি তেল মজুদের ওপর সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ পাবে যুক্তরাষ্ট্র।

চুক্তির আওতায় আছে ভেনেজুয়েলার ১৭টি কৌশলগত তেলক্ষেত্রও। যুক্তরাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, তেল উত্তোলনের জন্য তারা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব করবে। তবে এখনো প্রকাশ করা হয়নি চুক্তির বিস্তারিত শর্ত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

চুক্তিতে থাকা ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল ভেনেজুয়েলার তেল মজুদের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় তেলের মজুদ আছে ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল মজুদ। বিশ্বের মোট তেলসম্পদের প্রায় ১৭ শতাংশও আছে দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে।

তবে ট্রাম্পের ঘোষিত ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন বিশ্লেষক। চুক্তির সুনির্দিষ্ট শর্ত প্রকাশ না হওয়ায় সংশয় আছে এ সংখ্যা নিয়ে।

কেউ কেউ মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে চাঙা করার লক্ষ্যে বড় করে এই ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের এই সংখ্যা প্রকৃত চুক্তির ক্ষেত্রে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। চুক্তির আসল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো অজানা। (ররি জনস্টন, তেলবাজার গবেষক)
তেলবাজার গবেষক ররি জনস্টন বলেছেন, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের এই সংখ্যা প্রকৃত চুক্তির ক্ষেত্রে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। চুক্তির আসল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো অজানা।

যুক্তরাষ্ট্রের তেল সরবরাহে কী প্রভাব পড়বে

ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুদ দ্বিগুণেরও বেশি হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ দেশটির তেল মজুদ কমে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভও কমেছে। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত এই মজুদে এখন ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ব্যারেল তেল আছে। অথচ এসব সংরক্ষণাগারের ধারণক্ষমতা প্রায় ৭১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল।

ট্রাম্পের দাবি, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুদ পুনর্গঠনে সহায়তা করবে। দেশটির তেল মজুদ ১৯৮২ সালের পর এখন রয়েছে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।

কীভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হলো?

২০২৬ সালে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ২০১৩ সাল থেকে নিকোলাস মাদুরো ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বে ছিলেন। বিতর্কিত নির্বাচন ও রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগে তার শাসনামল সমালোচিত হয়েছে।

ট্রাম্প ও মাদুরোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল বাদানুবাদ। ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল, মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারকারীদের পাঠাচ্ছেন। অন্যদিকে মাদুরো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছিলেন।

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি এই বিরোধ চরমে পৌঁছায়। কয়েক সপ্তাহ ধরে ভেনেজুয়েলার উপকূলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক জাহাজ মোতায়েন করে। এরপর ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপহরণের আদেশ দেন। পরে তাকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা।

এখন নিউ ইয়র্কে মাদক ও অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন মাদুরো।

অভিযানের পর মাদুরোর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজকে ভেনেজুয়েলার সরকারপ্রধান হিসেবে সমর্থন দেন ট্রাম্প। কিছুদিন পর তিনি শপথ নেন।

এরপর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করে, অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানির নিয়ন্ত্রণ নেবে ওয়াশিংটন।

ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দাবি কেন?

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বলে সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারপরও ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদের ওপর দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের দেশটিতে হস্তক্ষেপের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠেছে।

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি অভিযানের আগে ট্রাম্প ও তার মিত্ররা দাবি করেন, ভেনেজুয়েলায় তেল অনুসন্ধানের পুরনো ইতিহাসের কারণে দেশটির তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অধিকার রয়েছে।

এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার সরকারের বেসরকারি কোম্পানির তেলসম্পদ জাতীয়করণের উদ্যোগেরও সমালোচনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

গত ডিসেম্বরে ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে বড় রপ্তানিপণ্য তেল বিক্রি বন্ধ করতে দেশটির চারপাশে অবরোধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের তেলক্ষেত্র চুরি করেছে।

তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, নিজ দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর প্রতিটি রাষ্ট্রের স্থায়ী সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। এই অধিকার বিদেশি শক্তির অনিচ্ছাকৃত শোষণ থেকে সম্পদ রক্ষার নিশ্চয়তা দেয়।

এখনই চুক্তির ঘোষণা কেন?

এই চুক্তির ঘোষণা এমন সময়ে এসেছে, যখন ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরান বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন হতো।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রেও। দেশটিতে নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মার্কিন অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, চলতি আগস্ট মাসে দেশটিতে পেট্রোলের দাম রেকর্ড সর্বোচ্চ হতে পারে। বর্তমানে মার্কিন ভোক্তারা প্রতি গ্যালনে গড়ে ৪ ডলারের বেশি দাম দিচ্ছেন।

হরমুজ প্রণালির বিরোধ এখনো চলছে। যুদ্ধও শেষ হয়নি। চলমান সামরিক কর্মকাণ্ডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তেল সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়েছে।

চুক্তিকে যেভাবে দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন

ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার সঙ্গে নতুন চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেছে। ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাকে ইরানের মতো অন্য প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের একটি মডেল হিসেবেও উপস্থাপন করছেন।

লাস ভেগাসে চলতি মাসে এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিপুল পরিমাণ তেল নিচ্ছে এবং দেশটির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এমনকি ভেনেজুয়েলা থেকে নেওয়া তেল দিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের খরচ মেটানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

শুক্রবার চুক্তি ঘোষণার সময় ট্রাম্প বলেছেন, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের সরবরাহ বাড়বে। এতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জ্বালানির দাম অনেকটা কমবে বলেও দাবি করেন তিনি।

চলতি বছরের যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও চুক্তিটিকে ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার ভাষ্য, ‘এই চুক্তি পশ্চিম গোলার্ধে স্থিতিশীল তেল মজুদ ও কম দামের জ্বালানি নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমাতে সহায়তা করবে।’

রদ্রিগেজের প্রতিক্রিয়া কী?

চুক্তিটিকে নিজের সরকারের জন্য সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজও।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি চুক্তিটিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছেন। তার ভাষ্য, এটি দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

রদ্রিগেজ বলেছেন, চুক্তির ফলে ভেনেজুয়েলার হাইড্রোকার্বন শিল্পের অবকাঠামো উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে বড় ধরনের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে ভেনেজুয়েলা। দেশটিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট ও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ২০১৪ সাল থেকে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রায় ৮০ লাখ ভেনেজুয়েলান দেশ ছেড়েছেন।

সরকারি দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় শিল্পের অব্যবস্থাপনা এবং তেল ও খনিজ খাতের দুর্বল ব্যবস্থাপনাকে দেশটির অর্থনৈতিক সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সমালোচকেরা। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রভাবও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রদ্রিগেজ ট্রাম্প প্রশাসনের চাপে দেশের বিভিন্ন শিল্পে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।

তার সরকারের হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবারের চুক্তি থেকে ভেনেজুয়েলা ২০ হাজার ৯০০ কোটি ডলার কর রাজস্ব এবং ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ পেতে পারে।

চুক্তির মেয়াদ কতদিন?

তবে চুক্তিটি নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের হস্তক্ষেপের ইতিহাস রয়েছে। ট্রাম্প পশ্চিম গোলার্ধে মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠার যে নীতি অনুসরণ করছেন, সমালোচকেরা তারও বিরোধিতা করছেন।

তাদের কেউ কেউ শুক্রবারের চুক্তিকে ভেনেজুয়েলার প্রাকৃতিক সম্পদ দখলের উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এর সঙ্গে ঔপনিবেশিক যুগে পশ্চিমা শক্তিগুলোর সম্পদ দখলের মিল রয়েছে।

জ্বালানি বিশ্লেষক গ্রেগরি ব্রু চুক্তির আগের সম্ভাব্য সমঝোতার খবরকে বিশ শতকের শুরুতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের তেলসম্পদ দখলের প্রচেষ্টার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তার ভাষ্য, এমন ঘটনা নজিরবিহীন।

ট্রাম্প নিজেও ঔপনিবেশিক যুগের ‘ম্যানিফেস্ট ডেসটিনি’ ধারণার কথা বলেছেন। তার পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ ও ভূখণ্ড সম্প্রসারণের কথাও উঠে এসেছে।

ভেনেজুয়েলার মডেল কি অন্য দেশেও প্রয়োগ হবে?

ট্রাম্প বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তেলসম্পদের ওপরও দাবি তোলার সম্ভাবনার কথা বলেছেন।

২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার অনেক আগে তিনি বলেছিলেন, অন্য দেশ থেকে তেল উত্তোলনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহার করা উচিত।

লিবিয়ায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গে সে সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি তেল নিয়ে নিতেন। একই বছর ইরাক দখলের প্রসঙ্গেও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে ইরান নিয়েও একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। এপ্রিল মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়ে সেখানকার তেল নেওয়া এবং তা থেকে বিপুল অর্থ উপার্জনের কথা লিখেছিলেন। এমনকি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পরিণত করার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

সূত্র: আল জাজিরা