Image description

নিট প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের পর এবার আন্দোলনের পরিসর আরও বাড়ানোর পথে হাঁটছে ককরোচ জনতা পার্টি । মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের প্রভাবশালী নেতা রাকেশ টিকায়েতের সঙ্গে সিজেপি নেতৃত্বের বৈঠক ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। কৃষক ও ছাত্রদের এক মঞ্চে এনে বৃহত্তর গণআন্দোলনের রূপরেখা তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও বৈঠকের পর কোনও আনুষ্ঠানিক জোট বা যৌথ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়নি এখনও।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা সহ সংগঠনের একাধিক নেতা এবং কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত। বৈঠকে ভবিষ্যতের আন্দোলনের কৌশল নীতি, কৃষক ও ছাত্রদের বিভিন্ন দাবি এবং বৃহত্তর জনসমর্থন গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা যায় । আশুতোষ রাঙ্কা জানান যে, কৃষক, ছাত্র ও যুবসমাজকে এক মঞ্চে এনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকারের কাছে জনস্বার্থের দাবিগুলি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

এদিকে ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন ৩০ জুলাই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজস্থানের অলওয়ার জেলার সরিস্কা ও সংলগ্ন ১৮৬ টি গ্রামের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি মহাপঞ্চায়েতের ডাক দিয়েছে। সেখানে কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যার কথা, কেন্দ্রের নীতি এবং পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হবে বলে রাকেশ টিকায়েত জানান। ভারত ও আমেরিকা সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও কৃষক সংগঠনগুলির আপত্তির বিষয়টি সেখানে গুরুত্ব পেতে পারে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য যে, এর আগের সপ্তাহে ওই বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় দিল্লি অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছিল কৃষক সংগঠনগুলি। যদিও হরিয়ানা পুলিশের চাপে সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় তারা। পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও হিমাচলপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিপুল সংখ্যক কৃষক আন্দোলনে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছিলেন, আন্দোলনের পরবর্তী ধাপের সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই নেওয়া হবে। ফলে টিকায়েত এবং সিজেপির এই বৈঠকের পর কৃষক ও ছাত্রদের সম্ভাব্য যৌথ আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।