শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি থেকে একচুলও সরে আসবে না বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বুধবার দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগই এখন তাদের প্রধান দাবি এবং তা পূরণ হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
তিনি জানান, দিনভর সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়েছে। উভয়েই একমত হয়েছেন যে আন্দোলন অবশ্যই শান্তিপূর্ণভাবে চালিয়ে যেতে হবে।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের শক্তি শান্তি ও অহিংসায়। সরকারের কঠোর দমন-পীড়নের মধ্যেও যে ধৈর্য, সাহস ও সংযম আমাদের সমর্থকেরা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি গর্বিত।’
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, ‘আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া এবং ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না। সোনম ওয়াংচুকের অনশন কোনোভাবেই বিফলে যেতে দেব না।’
এদিকে সোনম ওয়াংচুক বুধবার জানান, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক বা প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—কেন্দ্র সরকার যদি এমন স্পষ্ট ও নিঃশর্ত আশ্বাস দেয়, তবেই তিনি তার অনির্দিষ্টকালের অনশন প্রত্যাহার করবেন।
অন্যদিকে, চলমান আন্দোলনকে ঘিরে দিল্লি পুলিশ ১০টি পৃথক এফআইআর দায়ের করেছে। বুধবার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এসব মামলা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ১৮ জুলাই থেকে দায়ের হওয়া এসব মামলায় বেআইনি সমাবেশ এবং জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রায় ৪০০ জনকে এসব মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, মুম্বইয়েও সিজেপির সমর্থনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ১৩টি মামলা দায়ের করেছে মুম্বই পুলিশ।
বুধবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরের কাছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনায় দিল্লি পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) ও দিল্লি পুলিশ সীমিত বলপ্রয়োগ করে এবং টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে।
সূত্র: দ্য হিন্দু/ইন্ডিয়া টুডে