Image description

২০০৬ সালে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পাসপোর্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। এই পাসপোর্ট মার্কিন নাগরিকদের এমন এক অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা দিত, যা কেবল ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডের সঙ্গে অতুলনীয় ছিল। কিন্তু ২০ বছর পর সেই চিত্র বদলে গেছে। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট এখন শীর্ষ থেকে ১০ম স্থানে নেমে এসেছে।

হেনলির সূচক অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা ১৮০টি দেশে ভিসামুক্ত বা সহজ ভ্রমণসুবিধা পান। ২০০৬ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৩০টি।

২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির নাগরিকেরা ১৯২টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—তিন দেশের পাসপোর্টে ১৮৮টি দেশে ভ্রমণের সুবিধা রয়েছে।

গত দুই দশকে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০০৬ সালের তুলনায় দেশটি ১৫৩টি নতুন গন্তব্যে ভ্রমণ সুবিধা যোগ করেছে। সুইডেন রয়েছে তৃতীয় স্থানে, আর চতুর্থ স্থানে যৌথভাবে রয়েছে বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন।

তালিকার নিচের দিকে রয়েছে আফগানিস্তান। ২০০৬ সালে আফগান নাগরিকেরা মাত্র ১২টি দেশে ভিসামুক্ত সুবিধা পেলেও বর্তমানে তা বেড়ে ২২টিতে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী পাসপোর্ট সাধারণত আন্তর্জাতিক আস্থা, কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন। শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর অনেকগুলোর পাসপোর্টও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী তালিকায় রয়েছে।

সূত্র: সিএনএন