Image description

ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে গত কয়েক ঘণ্টা টানা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। উপসাগরীয় দেশগুলো থাকা মার্কিন সামকির ঘাঁটি থেকে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।

 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ইরানের একাধিক শহরে কয়েক দফা হামলা চালানো হয়েছে।

 

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, ইরানের হরমোজগান গভর্নরেট আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তাদের অঞ্চলে শত্রুপক্ষের প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

এই হামলার ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি ও সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের কাজ চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত এবং পরবর্তী সুনির্দিষ্ট তথ্য দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে দেশবাসীকে জানানো হবে।

 

এদিকে বন্দর আব্বাসের পশ্চিমাঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে। সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমটি জানায়, ইরানের বন্দর আব্বাস শহরের পশ্চিমাঞ্চলে পর পর পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এ ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য জানা যায়নি।

তবে গতকাল রাতে হরমুজগান প্রদেশে হামলার ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্য নিহতের খবর পাওয়া যায়। ওই পরিবারের প্রধান রাঙ্গের হাসানজাদেহ বলেছেন, হামলার সময় তিনি বাইরে কাজে ছিলেন। কিন্তু তার দুই ছেলে ও এক পুত্রবধূ ঘরে ছিলেন। মার্কিনিদের হামলায় তারা তিনজন নিহত হয়েছেন।

 

গত মাসে স্বাক্ষরিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যায়। এর পর ইরানে একাধিক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার জেরে আজ মঙ্গলবার ‘যুদ্ধ, অশুভ শক্তি ও মার্কিন আগ্রাসনের’ মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি কখনও খোলা হবে না বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনী। সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আকরামিনিয়া এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন।

 

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের সুরক্ষার ব্যাপারে দেশের সশস্ত্র বাহিনী কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। আকরামিনিয়া জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার একমাত্র উপায় হলো ইরানি জনগণের বৈধ অধিকারকে পূর্ণ সম্মান জানানো।