হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রতি গোপন বৈঠক করেছে ফ্রান্সের একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলে বর্তমান ও সাবেক কূটনীতিকদের পাশাপাশি ছিলেন ফরাসি পার্লামেন্টের কয়েকজন সদস্যও।
সোমবার সৌদি আরবের সংবাদপত্র আশারক আল-আওসাত ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশ করেছে এ তথ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলার পর এটি ছিল এ ধরনের প্রথম বৈঠক।
দুই ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকটি ‘খুব বেশি দিন আগে নয়’ মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে অনুষ্ঠিত হয়। তবে সুনির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানায় তারা।
সূত্রগুলো বৈঠকটিকে ‘অত্যন্ত গোপনীয়’ বলে বর্ণনা করেছে। তাদের ভাষ্য, কিছু দেশ ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীকে বৈঠকটি সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। তবে তা বৈঠকের ঠিক আগে অথবা বৈঠক হওয়ার পরপরই।
হামাসের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সৌদি সংবাদপত্রটিকে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকের আলোচ্য বিষয় বা ফলাফল সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তারা।
ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকের আলোচনার মূল বিষয় ছিল ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, জাতীয় ঐক্য জোরদার করা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া।
সূত্রটি আশারক আল-আওসাতকে আরও জানায়, আলোচনায় ‘১৯৬৭ সালের সীমান্তের’ ভিত্তিতে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমর্থনের বিষয়ও উঠে আসে। অর্থাৎ ছয় দিনের যুদ্ধের আগের যুদ্ধবিরতি রেখাকে ভিত্তি ধরে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
৭ অক্টোবরের ঘটনার পর থেকে ফ্রান্স দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের অন্যতম প্রধান সমর্থক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসরায়েল রাষ্ট্রের পাশাপাশি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।