Image description

ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে এখন চোখে পড়ছে নানা ব্যানার ও ব্যঙ্গচিত্র। এগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বার্তা, দেশপ্রেম ও প্রতিরোধের স্লোগান তুলে ধরা হয়েছে। এসব ব্যানার ও ব্যঙ্গচিত্রকে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখছেন তেহরানবাসী। তারা বলছেন, ব্যানারগুলো মানসিক শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস।

তেহরানের একটি মেট্রো স্টেশনের পাশেই দেখা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ব্যঙ্গচিত্র। সেখানে লেখা, এপস্টেইন ফাইল থেকে তথ্য ফাঁস হলেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলা চালানো হয়।

ইরানের রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা যাচ্ছে এমন নানা ব্যানার ও প্রচারণা। এগুলোতে আছে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বার্তা, ইরানি বাহিনীর প্রশংসা এবং নাগরিক ঐক্যের স্লোগান।

স্থানীয়রা বলছেন, এসব ব্যানার শুধু প্রচারণার মাধ্যম নয়, বরং কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস। একইসঙ্গে তারা এটিকে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতীকী বার্তা হিসেবেও দেখছেন।

এসব ব্যানার ও ব্যাঙ্গচিত্র প্রসঙ্গে তেহরান স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই ধরনের ব্যানার মানুষকে মানসিকভাবে শক্তি দেয়। এগুলো দেখলে আমি খুশি হই। আমার পেছনে এই ব্যানারে হরমুজ প্রণালি বন্ধের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। আর আমার মনে হয়, গণমাধ্যমের লড়াইয়েও আমরা জিতেছি।

দেশটির আরেক নাগরিক বলেন, যখন মানুষ স্কয়ারে আসে ও এসব ব্যানার দেখে, তখন তা এক ধরনের অনুপ্রেরণা তৈরি করে। মানুষ উৎসাহিত হয়। আমাদের সব কিছুই যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষুব্ধ করে, আমাদের বিজ্ঞানী, জীবন, ব্যানার ও উপস্থিতি। তারা শত্রু, আর শত্রুর রাগ হওয়াই স্বাভাবিক। ট্রাম্পকে আরও রাগান্বিত করা উচিত।

ছয় সপ্তাহ আগে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি কমেনি। একাধিকবার প্রস্তাব বিনিময় হলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে তেহরানের রাস্তায় এসব ব্যানার দেশপ্রেম ও প্রতিরোধের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সংকটকালে এ ধরনের প্রতীকী প্রচারণা, জনগণের মনোবল ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শীর্ষনিউজ