Image description

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কয়েকটি আরব দেশের অনুরোধে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত নতুন সামরিক হামলা স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ চলছে।

সোমবার (১৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের অনুরোধেই হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সাময়িকভাবে সরে আসা হয়েছে। খবর বিবিসির।

তিনি আরও বলেন, তাকে জানানো হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘খুবই গ্রহণযোগ্য’ একটি সমঝোতার হতে যাচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না।’

একই সঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি গ্রহণযোগ্য কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে ‘পূর্ণমাত্রার বড় হামলা’ চালাতে প্রস্তুত।

ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা অচল হয়ে পড়ায় সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সম্পর্কিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ইরান এখনো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।

অন্যদিকে, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বন্দরগুলো অবরোধ করে রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।