ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে আসামেও হিন্দুত্ববাদ কাজে লাগিয়ে ছক্কা হাঁকালেন বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ১২৬ আসনের আসামকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এক ব্রহ্মপুত্র ভ্যালি, দুই বরাক ভ্যালি। বরাক ভ্যালিতে বাঙালিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
আসামের মসনদ দখলের লড়াইয়ে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। আইএনসি, ইউপিপিএল, এআইইউডিএফ ও সিপিআই (এম) লড়াই করেছে। আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা, গৌরব গগৈ ও বদরুদ্দিন।
১০২ আসনে এগিয়ে থেকে আসামে মোদি-শাহকে বড় জয় উপহার দিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সব বুথফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে একাই দৌড়ালেন তিনি। যেখানে কংগ্রেস মাত্র ২১টি আসনে এগিয়ে।
কংগ্রেস মনে করেছিল তারা ৪০ থেকে ৪৫টি আসন পাবে। তাই দলীয় বিধায়কদের ধরে রাখতে রাহুল গান্ধী আসামে ডিকে শিবকুমারকে পাঠান। কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী এই শিবকুমার দক্ষ সংগঠক। তাই ৪০-৪৫ আসন পেলে সেখানে হিমন্তবিরোধী বিধায়কদের নিয়ে নতুন করে খেলার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু নির্বাচনের ফল যথেষ্ট হতাশ করেছে।
অন্যদিকে, সংখ্যালঘুদের দল ইউডিএফ পেয়েছে মাত্র দুটি আসন।